সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খুলনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবের ১০১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান ০১জুলাই পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা পদ্মা সেতুতে হ-য-ব-র-ল অবস্থা : নাটবোল্ট খোলা যুবক বিএনপি কর্মী বাইজীদ আটক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিটিজেন চার্টার এন্ড জিআরএস-১ শীর্ষক প্রশিক্ষণ টেকসই অর্থায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেত্রী রুমার বাড়িতে হামলা,  জেলা ছাত্রদলের নিন্দা  নগরীতে হিজড়া ও লিঙ্গ বৈচিত্রময় জনগোষ্টির বৈষম্য দুরীকরনে নেটওয়ার্কিং মিটিং অনুষ্ঠিত সিটি মেয়রের কাছে নাগরিক ফোরাম প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন ফকিরহাটে মাতৃত্বকালীন ভাতা গ্রহণকারী মায়েদের প্রশিক্ষণ ন্যাপ নেতা তপন রায় ছিলেন নির্মোহ, নির্লোভ, নিবেদিত প্রাণ

রামপাল পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রায় ২কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযাগে সাবেক ব্যবস্থাপক সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় মামলা 

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ২১ জুন, ২০২২
  • ৭ পড়েছেন

মোতাহার মল্লিক, রামপাল ||

বাগরহাটের রামপাল উপজেলার পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযাগে সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক হামিমা সুলতানাকে চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ২৩মে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকর মহাব্যবস্থাপক দিপংকর রায় স্বাক্ষরিত এক পত্রে ওই আদশ দেয়া হয়।এ ঘটনায় হামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিলম্বে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক রামপাল সদর ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের বাসিন্দা হামিমা সুলতানা কয়েখ বছর যাবৎ শাখা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে তিনি বিভিন্ন সমিতির সঞ্চয়, ঋণের কিস্তি, ভুয়া ঋণ, বিতরণকৃত ঋণ থেকে টাকা আত্মসাৎ এবং অফিসের কর্মচারীদের বেতনের টাকা উত্তালন করে আত্মসাৎসহ সর্বমোট ১কোটি ৮৩লাখ ২৮হাজার ৮৩০টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের  নিরীক্ষা প্রতিবদেন এসব তথ্য উঠে এসেছে। অর্থ আত্মসাতের দায়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রবিধানমালা ২০১৬-এর ৪৪(১)বিধি মোতাবেক ব্যাংকের গত ২৩মে(স্মারক নং পসব্য/প্রকা/ প্রশা-২২/(২৫০)/২০২১-২২/৩৫১৭) তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেয়। সেই সাথে সাময়িক বরখাস্ত কালিন সময় তিনি ব্যাংকর কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকুরী প্রবিধানমালা-২০১৬-এর ৪৪(৩)ধারা অনুসারে সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন বলেও আদশে বলা হয়।এছাড়া একই তারিখে হামিমা ‍সুলতানার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে(মামলা নং-২৩/২০২১-২০২২)। অভিযাগে উল্লেখ করা হয়, হামিমা সুলতানা রামপাল উপজলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন খাত থেকে সর্বমোট ১ কোটি ৮৩লাখ ২৮হাজার ৮৩০টাকা আত্মসাৎ করেছেন।নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ১নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ব্যাংকের বিভিন্ন সমিতির সদস্যদের সঞ্চয় বাবদ ১৪হাজার ১৩০টাকা, ঋণের কিস্তির ১হাজার ৩৭৫টাকা, ভুয়া ঋন প্রদান করে ১কোটি ৭৪লাখ ৬হাজার ৬০০টাকা, বিতরণকৃত ঋন থেকে ৫লাখ ৬৭হাজারসহ মোট ১কোটি ৭৯লাখ ৮৯হাজার ১০৫টাকা আত্নসাত করা হয়েছে। প্রতিবেদনের ২নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শাখা ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালনকালে গত ২০২১সালের ২৭জুন ১টি জেনারেটর ও আসবাবপত্র ক্রয় বাবদ ১লাখ ৮৬হাজার ২২৫টাকা উত্তালন করে ব্যাংকের হিসাবে জমা না করে নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেছেন। ৩নং নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মকর্তা- কর্মচারীদের ব্যাংক স্থানান্তরের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি ১০জনের কাছ থেকে ৭হাজার টাকা করে মোট ৭০হাজার টাকা নিয়েছেন। ৪নং প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকের  কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২০১৭সালের জুন মাসের বেতনের ৮৩হাজার ৫০০টাকা উত্তোলন করে তা বিতরন না করে আত্মসাৎ করেছেন।নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখিত কার্যকলাপের জন্য চাকুরি প্রবিধানমালা ২০১৬ মোতাবেক নিজের দায়িত্ব পালনে অবহেলা, অসদাচরণ, অদক্ষতা, দুর্নীতি, চুরি ও আত্মসাৎমুলক অপরাধ করায় তাকে চাকুরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত হামিমা সুলতানা তার বিরুদ্ধ আনা সব অভিযাগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমাকে শত্রুতামূলকভাবে সমস্যায় ফেলে দেয়া হয়েছে। ১কোটি ৬০লাখ টাকার লোন দিয়েছি। মল্লিকেরবেড় এলাকায় রেদোয়ান মারুফ নামের একজনকে ১লাখ টাকা লোন দিয়েছি। ২০১৭ সালে আমি কর্মকর্তা-কর্মচরীদের বেতন আত্মসাৎ করেছি এ কথা সঠিক নয়। আমি বেতন না দিলে তারা এতদিন আমাকে ছাড় দিতো না। আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং মামলার জবাব দিয়েছি। আগামী মাসে শুনানী হবে। দেখা যাক কি হয়। তিনি আরও বলেন, তাকে ১০দিনের জন্য সাসপেন্ট করা হয়েছে। তিনি প্রদান কার্যালয়ে অভিযোগের জবাব দিয়ে মাঠের সমস্যা সমাধানে এক মাসের সময় চেয়েছেন। ইতিমধ্যেই প্রাং এককোটি ৬০াহজার টাকার বিষয়ে তথ্যানুসন্ধান করে সমাধান করেছেন। আগামী ৬জুলাইয়ের মধ্যে বাকীগুলোও সমাধান হবে বেলও জানান তিনি। এ ব্যাপারে রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কবীর হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন আছে। তদান্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না।##

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu