ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মানুষ ও পরিবেশ-প্রতিবেশের বিপক্ষের বিনিয়োগ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশে

###   বিশ্বের দেশে দেশে বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক প্রকল্প যা মানুষ ও পরিবেশ-প্রতিবেশের বিপক্ষে যায় সেসকল বিনিয়োগ বন্ধের দাবিতে খুলনায় প্রতিকি প্রতিবাদ, মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট(ক্লিন) এবং এনজিও ফোরাম অন এডিবি যৌথ উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে খুলনার পরিবেশকর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজিবী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে এডিবি ৩,৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা ১২ টি জীবাশ্ম গ্যাস এবং ডিজেলের ভিত্তিক  বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সম্পন্ন বিনিয়োগ করেছে।  এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি প্রতি বছর বায়ুমন্ডলে কমপক্ষে ২১.৬৩  মিলিয়ন টন কার্বন নির্গত করে।  এর মানে, তারা তাদের জীবদ্দশায় প্রায় ৫৪০.৮  মিলিয়ন টন কার্বন নির্গত করতে পারে। এটি এডিবির বাংলাদেশের কাছে ঐতিহাসিক দায় বা পরিবেশগত ঋণ। একইভাবে, অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিও অনুরূপ ভাবে এই পরিবেশগত ঋণ বিদ্যমান। এডিবি ২০১৬ সালের প্যারিস চুক্তির পরেও  বাংলাদেশে ১২৬.৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। পরিবহণ খাতের ( ১৯.৫% ) বিনিয়োগের পর  বিদ্যুৎ দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত (১৬.১%) এবং এর পর ফাইন্যান্স সেক্টর (১৫.২%)। এডিবি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করেছে ২০.৩৪ বিলিয়নের ইউএস ডলার এর মধ্যে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতে করেছে মাত্র ২.৮ %। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়যে এডিবি তার এই বিশাল বিনিয়োগে সাধারন জনগনের সার্থকে উপেক্ষা করে কর্পোরেট সার্থকে বেশী প্রাধান্য দিয়েছে। এতে লাভ হচ্ছে কর্পোরেটদের কিন্ত ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের। এ থেকে পরিত্রানে পরিকল্পনা গ্রহনের দাবীও জানানো হয় সমাবেশে। ##

Tag :
About Author Information

Banglar Dinkal

মানুষ ও পরিবেশ-প্রতিবেশের বিপক্ষের বিনিয়োগ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশে

প্রকাশিত সময় ১২:৩৬:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ নভেম্বর ২০২২

###   বিশ্বের দেশে দেশে বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক প্রকল্প যা মানুষ ও পরিবেশ-প্রতিবেশের বিপক্ষে যায় সেসকল বিনিয়োগ বন্ধের দাবিতে খুলনায় প্রতিকি প্রতিবাদ, মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহষ্পতিবার উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট(ক্লিন) এবং এনজিও ফোরাম অন এডিবি যৌথ উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে খুলনার পরিবেশকর্মীসহ বিভিন্ন পেশাজিবী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে এডিবি ৩,৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা ১২ টি জীবাশ্ম গ্যাস এবং ডিজেলের ভিত্তিক  বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সম্পন্ন বিনিয়োগ করেছে।  এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি প্রতি বছর বায়ুমন্ডলে কমপক্ষে ২১.৬৩  মিলিয়ন টন কার্বন নির্গত করে।  এর মানে, তারা তাদের জীবদ্দশায় প্রায় ৫৪০.৮  মিলিয়ন টন কার্বন নির্গত করতে পারে। এটি এডিবির বাংলাদেশের কাছে ঐতিহাসিক দায় বা পরিবেশগত ঋণ। একইভাবে, অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিও অনুরূপ ভাবে এই পরিবেশগত ঋণ বিদ্যমান। এডিবি ২০১৬ সালের প্যারিস চুক্তির পরেও  বাংলাদেশে ১২৬.৭২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। পরিবহণ খাতের ( ১৯.৫% ) বিনিয়োগের পর  বিদ্যুৎ দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত (১৬.১%) এবং এর পর ফাইন্যান্স সেক্টর (১৫.২%)। এডিবি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করেছে ২০.৩৪ বিলিয়নের ইউএস ডলার এর মধ্যে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতে করেছে মাত্র ২.৮ %। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়যে এডিবি তার এই বিশাল বিনিয়োগে সাধারন জনগনের সার্থকে উপেক্ষা করে কর্পোরেট সার্থকে বেশী প্রাধান্য দিয়েছে। এতে লাভ হচ্ছে কর্পোরেটদের কিন্ত ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের। এ থেকে পরিত্রানে পরিকল্পনা গ্রহনের দাবীও জানানো হয় সমাবেশে। ##