বিধি নিষেধ শিথিল হলেও মাস্ক ছাড়া বাড়ির বাইরে গেলে জেল-জরিমানা

15

খুলনা অফিস।।

বিধি নিষেধ শিথিল বা কটোর যাহাই থাকুক মাস্ক ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না।মাক্স ছাড়া বের হলেই গুনতে হবে জরিমানা বা যেতে হবে জেলে। খুলনায় মারাত্নক আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে এমনই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।বুধবার দুপুরে খুলনায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে সরকার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চলমান বিধি নিষেধ ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত শিথিল করেছে। কিন্তু খুলনায় করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমন ভয়াবহ আকার ধারন করায় খুলনার জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান, সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, উপপুলিশ কমিশনার(সদর) মোঃ এহসান শাহ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মোঃ ইউসুপ আলী, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সি মোঃ মাহবুব আলম সোহাগ, সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা ডা: সাদিয়া মনোয়ারা উষাসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ ও গনমাধ্যমের প্রতিনিধিরা  উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক জানান, ধর্মীয় ও আর্থিক অবস্থার বিবেচনা এবং বাস্তবতার নিরীখে সরকার আট দিনের জন্য বিধি নিষেধ শিথিল করেছে। এ সময়ে আমরা প্রত্যেকে যদি ব্যক্তিগতভাবে সচেতন হয়ে করোনার সংক্রমণকে কমাতে না পারি তাহলে কেবল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে করোনা মোকাবেলা সম্ভব হবে না। তিনি পশুর হাট, শপিংমল, মার্কেট, মসজিদসহ সকল জনসমাগম স্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরিধাণ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।

এছাড়া খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় করোনা সংক্রমণ গত দুই সপ্তাহে কিছুটা কমলেও কয়েকটি উপজেলায় বেড়ে গেছে এবং সার্বিকভাবে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। এজন্য তাঁরা আক্রান্ত রোগীদের একেবারে শেষ মুহূর্তে হাসপাতালে আসা এবং গ্রামাঞ্চলে অনেকক্ষেত্রে চিকিৎসা গ্রহণে অনীহাকেও দায়ী করছেন স্বাস্থ্য বিভাগ।

সভা শেষে জেলা প্রশাসক প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের দুইজন সদস্য গাজী টিভির প্রতিনিধি শেখ লিয়াকত হোসেন ও আনন্দ টিভির আমজাদ হোসেন লিটনের চিকিৎসার জন্য প্রত্যেকে ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন ##