বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পঞ্চগড়ের নৌকাডুবিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৫, নিখোঁজ আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রফি ভাঙা সেই ইউএনওকে ঢাকায় বদলি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী তিন ফসলি কৃষিজমি ধ্বংস করে কোন কিছু করা যাবে না বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের মধ্যে ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সাদৃশ্যে নানা উৎসবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ : ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও নিয়োগের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : উপাচার্য শ্যামনগরের কাঁশিমাড়িতে বজ্রপাত প্রতিরোধে তিন কিলোমিটার রাস্তায় তালবীজ বপন রামপালে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৩ সহস্রাধিক রোগী  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ সোসাইটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের সকলের দায়িত্ব : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী রামপাল তাপ বিদ্যুত কেন্দ্রের মালামালসহ ০৬ ডাকাত গ্রেফতার

বাংলাদেশ-ভারত আমদানি-রফতানি চুক্তির প্রথম ট্রায়ালের পণ্য মোংলায় খালাস : মেঘালয় ও আসামের উদ্দেশ্যে যাত্রা

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০২২
  • ২৬ পড়েছেন

মোংলা প্রতিনিধি।।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি চুক্তির প্রথম ট্রায়ালের পণ্য মোংলা বন্দরে খালাস হয়েছে। পরে বন্দর থেকে টার্মিনাল ট্রাক্টরে করে এসব পন্য ভারতের তামাবিল সীমান্ত হয়ে মেঘালয় ও বিবিরবাজার সীমান্ত হয়ে আসামের অভিমুখে রওনা হয়ে গেছে। সোমবার সকালে ভারত থেকে আসা লাইটার জাহাজ এমভি রিশাদ রায়হান মোংলা বন্দরের ৯নম্বর জেটিতে অবতরনের পর পন্য খালাস ও ভারতের দুই রাজ্যেল উদ্দেশ্যে রওনা হয়।অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্যা ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া(এসিএমপি) চুক্তির আওতায় এ ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে মোংলা বন্দর কতৃর্পক্ষ।   জানা গেছে, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশের মধ্যে ২০১৮ সালের অক্টোবরে এসিএমপি চুক্তি হয়। পরে ২০২০ সালের জুলাইয়ে কলকাতা বন্দর থেকে পণ্যবাহী নৌযান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক ট্রায়াল রান হয়। সেখান থেকে স্থলপথে ডাল ও রডসহ পণ্যসামগ্রী আগরতলা নেওয়া হয়েছিল।কিন্তু করোনা মহামারিসহ নানা জটিলতায় গত চার বছরে এ চুক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। পরে ভারতের পক্ষ থেকে চারটি রুটে ট্রায়েল রানের অনুমতি চাওয়া হলে আপাতত দুটি স্থলবন্দর দিয়ে ট্রান্সশিপমেন্ট দিতে রাজি হয় বাংলাদেশ। তার প্রেক্ষিতেই মোংলা বন্দর ব্যবহার বিষয়ক চুক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নে ৪টি ট্রায়াল রানের প্রথমটি শুরু করেছে ভারতের কলকাতা বন্দর। ০১আগস্ট ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে পণ্যসামগ্রী নিয়ে লাইটার জাহাজ এমভি রিশাদ রায়হান সোমবার সকাল ৯টায় মোংলা বন্দরের ৯নম্বর জেটিতে নোঙ্গর করে। পরে সাড়ে ১১টার দিকে জাহাজ থেকে কন্টেইনার ও স্টিল পণ্যসামগ্রী খালাসের কাজ শুরু হয়।বন্দর জেটিতে খালাস হওয়া কন্টেইনার ও স্টিল পণ্যসামগ্রী সরাসরি টার্মিনাল ট্রাক্টরে উঠানো হয়।বন্দরের নিয়ম মাফিক বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুরে পণ্যসামগ্রী নিয়ে টার্মিনাল ট্রাক্টর সড়ক পথে ভারতের মেঘালয় ও আসামের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায়। কলকাতা থেকে জাহাজে আসা দুটি কন্টেইনারের মধ্যে একটি তামাবিল সীমান্ত হয়ে ভারতের মেঘালয়ে এবং অপর কন্টেইনারটি বিবিরবাজার সীমান্ত দিয়ে ভারতের আসামে পৌছাবে। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে এসিএমপি চুক্তির আওতায় এই ট্রায়াল রান শুরু হয়েছে।প্রথম ট্রায়ালে ভারতের কলকাতা থেকে ০১আগষ্ট বাংলাদেশী কার্গো জাহাজ এম.ভি রিশাদ রায়হান ০৮আগষ্ট মোংলা বন্দরে পৌছায়। এ নৌযানটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট জ্যাক শিপিং এবং ক্লিয়ারিং এন্ড ফরোয়াডিং(সিএন্ডএফ) কাজ করছেন সুইফট লজিস্টিক সার্ভিসেস লিমিটেড। মার্কস লাইনের এই দুইটি কন্টেইনারের মধ্যে একটিতে রয়েছে ইলেক্ট্রোস্টিল কাস্টিংস লিমিটেডের ৭০প্যাকেজের ১৬.৩৮০মেট্টিক টন লোহার পাইপ এবং আরেকটিতে রয়েছে ২৪৯প্যাকেজে ৮.৫ মেট্টিক টন প্রিফোম।

সোমবার মোংলা বন্দরে এ পণ্য খালাসের সময় ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ইন্দ্রজিৎ সাগর, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা, মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ নেয়াজুর রহমানসহ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ইন্দ্রজিৎ সাগর সাংবাদিকদের বলেন, ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল রুটে অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবহার করে ব্যবসায়িক গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনীতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তিনি বলেন, ২০২২ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত ১৩তম ভারত-বাংলাদেশ জয়েন্ট গ্রুপ অফ কাস্টমস(জেএসসি) বৈঠকের পর ট্রায়াল রান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সে সিদ্ধান্তের আলোকে প্রথম ট্রায়ালের পণ্যসামগ্রী মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস ও পরিবহণ শুরু হয়েছে।এটি একটি ইতিবাচক দিক বলেও জানান তিনি। মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা সাংবাদিকদের বলেন, মোংলা বন্দরের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক সৃষ্টি হলো। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের বন্ধু প্রতিম দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে বিশ্বাস করি। ##

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu