ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

গলাচিপা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, মামলা

###   পটুয়াখালীর গলাচিপায় মোটা অংকের ঘুষ-বাণিজ্যের মাধ্যমে অফিস সহকারী ও নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকারের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়ে চাকরির জন্য প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকারকে অফিস সহকারী পদে আবেদনকারী ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তার (৩২) ১ লাখ ৫০ হাজার ও তার স্বামী মো. কামরুজ্জামান (৪৪) নৈশ প্রহরী পদে ১ লাখ ৫০ হাজার মোট ৩ লাখ টাকা দেন। প্রধান শিককের নিজ হাতে লেখা ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তার ও তার স্বামী কামরুজ্জামানকে নিয়োগপত্রও দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে যোগদানপত্রের মাধ্যমে তারা বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকার ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তারকে চাকরি না দিয়ে গোপনে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অধিক টাকা নিয়ে অন্য লোককে চাকরি দিয়েছেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগী মৌসুমি আক্তারের স্বামী মো. কামরুজ্জামান গলাচিপা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন।
মামলাসূত্রে জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী পদে চাকরির জন্য মৌসুমী আক্তারের কাছ থেকে গত ২০১৩ সালর ১ সেপ্টেম্বর ১ লাখ ও গত ২০১৯ সালের ১ ফেব্রæয়ারী ৫০ হাজার এবং নৈশ প্রহরী পদে চাকরির জন্য মো. কামরুজ্জানের কাছ থেকে গত ২০১৯ সালের ১ ফেব্রæয়ারী ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মোট ৩ লাখ টাকা নেন প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকার। মৌসুমী আক্তারকে গত ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপত্র ও ১০ সেপ্টেম্বর যোগদানপত্র এবং মো. কামরুজ্জামানকে গত ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রæয়ারী নিয়োগপত্র ও ১২ ফেব্রæয়ারী যোগদানপত্র দেন প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকার। দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তার ও কামরুজ্জামান ওই বিদ্যালয়ে চাকরি করে আসছিলেন। কিন্তু গোপনে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অফিস সহকারী পদে অধিক টাকা নিয়ে অন্য লোককে চাকরি দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকার।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সুধির চন্দ্র কর্মকার বলেন, ‘চাকরির বিষয়ে মৌসুমী আক্তার ও কামরুজ্জামানের সাথে কোন টাকা-পয়সার লেনদেন হয়নি। তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন। ##

Tag :
About Author Information

Banglar Dinkal

গলাচিপা বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, মামলা

প্রকাশিত সময় ০৭:৪১:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২

###   পটুয়াখালীর গলাচিপায় মোটা অংকের ঘুষ-বাণিজ্যের মাধ্যমে অফিস সহকারী ও নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকারের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়ে চাকরির জন্য প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকারকে অফিস সহকারী পদে আবেদনকারী ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তার (৩২) ১ লাখ ৫০ হাজার ও তার স্বামী মো. কামরুজ্জামান (৪৪) নৈশ প্রহরী পদে ১ লাখ ৫০ হাজার মোট ৩ লাখ টাকা দেন। প্রধান শিককের নিজ হাতে লেখা ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তার ও তার স্বামী কামরুজ্জামানকে নিয়োগপত্রও দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে যোগদানপত্রের মাধ্যমে তারা বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকার ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তারকে চাকরি না দিয়ে গোপনে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অধিক টাকা নিয়ে অন্য লোককে চাকরি দিয়েছেন। এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভুক্তভোগী মৌসুমি আক্তারের স্বামী মো. কামরুজ্জামান গলাচিপা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন।
মামলাসূত্রে জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অফিস সহকারী পদে চাকরির জন্য মৌসুমী আক্তারের কাছ থেকে গত ২০১৩ সালর ১ সেপ্টেম্বর ১ লাখ ও গত ২০১৯ সালের ১ ফেব্রæয়ারী ৫০ হাজার এবং নৈশ প্রহরী পদে চাকরির জন্য মো. কামরুজ্জানের কাছ থেকে গত ২০১৯ সালের ১ ফেব্রæয়ারী ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মোট ৩ লাখ টাকা নেন প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকার। মৌসুমী আক্তারকে গত ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপত্র ও ১০ সেপ্টেম্বর যোগদানপত্র এবং মো. কামরুজ্জামানকে গত ২০১৯ সালের ১০ ফেব্রæয়ারী নিয়োগপত্র ও ১২ ফেব্রæয়ারী যোগদানপত্র দেন প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকার। দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী মৌসুমী আক্তার ও কামরুজ্জামান ওই বিদ্যালয়ে চাকরি করে আসছিলেন। কিন্তু গোপনে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অফিস সহকারী পদে অধিক টাকা নিয়ে অন্য লোককে চাকরি দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক সুধির চন্দ্র কর্মকার।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সুধির চন্দ্র কর্মকার বলেন, ‘চাকরির বিষয়ে মৌসুমী আক্তার ও কামরুজ্জামানের সাথে কোন টাকা-পয়সার লেনদেন হয়নি। তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন। ##