শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শাশুড়ির অনৈতিক সম্পর্কে বাঁধা দেওয়ায় শিশুসন্তানসহ গৃহবধুকে নির্যাতন; মামলা তুলে না নিলে হত্যার হুমকী তেরখাদায় জাতির পিতার ম্যুরাল ‘বঙ্গবন্ধু স্টেট ম্যান অব দ্য সেঞ্চুরি’ এর উদ্বোধন কয়রায় ট্রিপল মার্ডারের নেপথ্যে ছিলো অবৈধ সম্পর্ক ও প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন ভারত সরকারের উপহারের লাইফ সার্পোট এ্যাম্বুলেন্স এলো খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালে বাগেরহাটে সরকারী স্কুলের সভাপতির বিরুদ্ধে ১০লাখ টাকার গাছ কেটে আত্নসাতের অভিযোগ, শাস্তির দাবী দূর্ঘটনারোধে খুলনা মহানগরীর সড়ক ও ট্রাফিক ব্যবস্থা এবং বাস্তবতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে সাংবাদিকদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহবান সপ্তাহ ব্যাপী শীতবন্ত্র বিতরণ; প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্প রামপাল পাওয়ার প্লান্ট বহুমুখি সামাজিক কাজ করছে শীতের সকালে সীমান্তের হাজারো মুখে ফুঠলো উষ্ণ হাসি ওমিক্রন প্রতিরোধে জনসচেতনতায় তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসার আহবান

খুলনায় চাঁদাবাজি মামলায় তিন পুলিশসহ ৫ জনের আট বছরের কারাদন্ড

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২০ পড়েছেন

ডেক্স রিপোর্ট।।

খুলনার আলোচিত চাঁদাবাজি মামলায় তিন পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনের আট বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ১২ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ০২ ডিসেম্বর দুপুরে খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদলতের বিচারক এস.এম আশিকুর রহমান এ রাষ ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কনেষ্টবল মোল্লা মেসবাহ উদ্দিন(পলাতক),কনেষ্টবল মোঃ ফরহাদ আহমেদ, কনেষ্টবল মোস্তাফিজুর রহমান(পলাতক), আরমান শিকদার জনি ও মোঃ বায়েজিদ। দন্ডপ্রাপ্ত কনেষ্টবলরা খুলনা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন।

মামলার বিবরনে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতপুর বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেটের সামনে শান্তি রানী বিশ্বাসের চায়ের দোকানে কনেষ্টবল মোল্লা মেসবাহ উদ্দিন,কনেষ্টবল মোঃ ফরহাদ আহমেদ ও কনেষ্টবল মোস্তাফিজুর রহমান সাদা পোষাকে অবস্থান নেয়। পরে সেখান থেকে তাদের দুই সহযোগীর মাধ্যমে মো: শাহরিয়ার রিন্টু ও আবু ইছহাক নামে দুইজনকে ধরে নিয়ে বিএল কলেজের দ্বিতীয় গেট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে আটক রাখে।এ সময় আসামি মেজবাহ উদ্দিন নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দিয়ে তাদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। পরে দর কষাকষির এক পর্যায়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। এলাকাবাসী এ ঘটনা দৌলতপুর থানার ওসিকে জানালে থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালি ভিকটিমদের উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতার করে। চাঁদাবাজির অভিযোগে দৌলতপুর থানার এসআই কাজী বাবুল হোসেন বাদী হয়ে তিন পুলিশ সদস্য ও তাদের সহযোগী দু’জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন(মামলা নং ১১)। ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো: বাবলু খান তিন পুলিশসহ পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চাজর্শিট দাখিল করেন।##

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu