খুলনার ডুমুরিয়ার চটচটিয়া খেয়াঘাটে যাত্রী হয়রানি, কয়েকগুন টোল আদায়ের অভিযোগ

57

খুলনা অফিস।।

খুলনার ডুমুরিয়ার চটচটিয়া খেয়াঘাটে যাত্রী লাঞ্চনা, হয়রানি, দূর্ব্যবহার ও কয়েকগুন টোলেআদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চটচটিয়া খেয়াঘাটের ইজারাদার ও তাদের নিয়োগকৃত লোকজন প্রতিদিন পারাপারের যাত্রীদের চরম হয়রানি ও সরকার নির্ধারিত টোলের চেয়ে ৩/৪গুন বেশী টোল আদায় করছে। সাধারন মানুষ কেউ এটার প্রতিবাদ করলে ঘাট পারানী ও তাদের সন্ত্রাসীদের হাতে লাঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে।দিন দিন বাড়ছে তাদের অত্যাচার ও নির্যাতন। ঘাটের ইজারাদার ও তার লোকজনের এসব অপর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে খুলনা ভোক্তা অধিকার দপ্তরে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

কয়রার স্কুল শিক্ষক মোজাফফর হোসেনের অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার শরাপপুর ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় চটচটিয়া খেয়া ঘাটটি পাইকগাছা ও কয়রাগামী মানুষ বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে যাতায়াত করে থাকে। তিনি প্রায়ই খুলনা শহরের সাউথ সেন্ট্রাল রোডের বাসা থেকে এ খেয়া পারপার হয়ে কয়রা যাতায়াত করেন।এ সড়কের গুরুত্ব বিবেচনা করে ঘাট থেকে মাত্র ৩০/৪০গজ দুরে সরকারের একটি ব্রিজ নির্মান কাজ চলমান রয়েছে। কিন্তু এ খেয়াঘাটের ইজারাদার ও তার লোকজন সরকার নির্ধারিত টোলের চেয়ে বেশী টাকা জোর করে নিচ্ছে যাত্রীদের কাছ থেকে। গত ০২ মে তিনি ওই খেয়াঘাটে মটরসাইকেলসহ পারাপারের সময় পাচ টাকার স্থলে ৩০টাকা টোল দাবী করে। এ সময় সরকার নির্ধারিত টোলের তালিকা দেখতে চাইলে বাজে ও অসম্মানজনক কথা এবং গালিগালাজ করে ইউএনও-এর কাছে তালিকা দেখতে বলে। এছাড়া টাকা গ্রহনের রশিদ চাইলে ইজারাদারের নিয়োগকৃত লোক হাসান মারমুখী হয়ে স্থানীয় শরাপপুর ইউপি চেয়ারশ্যান মো: রবিউল ইসলাম ঘাটের ইজারাদার সেই ভয় দেখিয়ে অপমান করে।একই অবস্থা এই ঘোটে পারাপার ও যাতায়াতকারী অন্যান্য যাত্রীদের সাথেও অহরহ ঘটে থাকে।সরকারের ইজারা প্রদানের শর্তে টোলের শূল্য তালিকা টাঙানো, টোলের রশিদ প্রদান বাধ্যতামূলক থাকলেও ইজারাদার ও তার লোকজন সন্ত্রাসী কায়দায় সাধারন মানুষকে হয়রানি করে চলেছে। এই ঘাট ইজারাদার ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার  অফিসে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে শরাপপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো: রবিউল ইসলাম জানান, ঘাটে সরকার র্নির্ধারিত টোলের বেশী এক টাকাও নেওয়ার কথা নয়। এছাড়া কারো সাথে খারাপ আচরন করা অন্যায়। যদি বেশী টোল নিয়ে থাকে এবং খারাপ আচরন করেছে প্রমানিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যভস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আব্দুল ওয়াদুদ জানান, বিষয়টি তার নলেজে নেই। ঘাটে পারাপারের টোলের তালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক।টোল বেশী নিলে ও খারাপ আচরন করলে অবশ্যই অন্যায করেছে। ওই ঘাটের ইজারাদার ও তার লোকজনকে ডেকে এনে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।##

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here