সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খুলনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবের ১০১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান ০১জুলাই পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষণা পদ্মা সেতুতে হ-য-ব-র-ল অবস্থা : নাটবোল্ট খোলা যুবক বিএনপি কর্মী বাইজীদ আটক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিটিজেন চার্টার এন্ড জিআরএস-১ শীর্ষক প্রশিক্ষণ টেকসই অর্থায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেত্রী রুমার বাড়িতে হামলা,  জেলা ছাত্রদলের নিন্দা  নগরীতে হিজড়া ও লিঙ্গ বৈচিত্রময় জনগোষ্টির বৈষম্য দুরীকরনে নেটওয়ার্কিং মিটিং অনুষ্ঠিত সিটি মেয়রের কাছে নাগরিক ফোরাম প্রস্তাবিত উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন ফকিরহাটে মাতৃত্বকালীন ভাতা গ্রহণকারী মায়েদের প্রশিক্ষণ ন্যাপ নেতা তপন রায় ছিলেন নির্মোহ, নির্লোভ, নিবেদিত প্রাণ

কয়রায় পুলিশ সদস্য মফিজুল হত্যা মামলায় জামাত-শিবিরের ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ১২ জুন, ২০২২
  • ১৫ পড়েছেন

কয়রা প্রতিনিধি।।

কয়রা উপজেলার আংটিহারা ক্যাম্পের পুলিশ সদস্য মফিজুল ইসলাম হত্যা মামলায় নয় বছর পর ৩৪জনকে অভিযুক্ত করেেআদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোঃ আঃ লতিফ গত ২৯মে কয়রার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ দেলোয়ার হোসেনের আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলো-গনি সরদার, তার স্ত্রী আয়শা ও দু’ছেলে আনারুল ও সিরাজুল, মফিজুল ইসলাম নান্নু ও তার ভাই রেজাউল ইসলাম, নাসের আলী মোড়ল, গোলাম মোস্তফা রিপন, রউফ শেখ, দাদরিজ শেখ, আছের আলী মোড়ল, মো: তাছের আলী মোড়ল, মো: সিরাজুল গাজী, নাজমুল ইসলাম, ওলিউর রহমান, মইনুল ইসলাম লিটন, আলমগীর হোসেন, সাইদুল ইসলাম, মো: ওহিদুজ্জামান খোকন, মো: মিজানুর রহমান, বিল্লাল হোসেন, সবুর মোল্লা, কবিরুল সরদার, রুহুল আমীন সরদার, পরিতোষ কুমার মন্ডল, মজিদ গাজী, হাকিম মোড়ল, নাজমুন্নাহার, মহিউদ্দিন মোড়ল, তাইজুল গাজী, আব্দুল হাকিম গাজী, আতাপুর জামান ঢালী, হালিমা ও সুমাইয়া খাতুন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক মো: আব্দুল লতিফ জানান, ২০১৩সালের ১০মার্চ রাতে কয়রা উপজেলার আংটিহারা ক্যাম্পের এসআই ও কয়েকজন সদস্য নাশকতা মামলায় আসামি ধরতে যায়। গোলখালী এলাকার গনি ও রশিদ সরদারের বাড়ি ঘেরাও করে পুলিশ। এ সময় ওই এলাকার বায়তুল আকসা মসজিদের মাইকে পুলিশের আগমনের ঘটনাটি প্রচার করে পুলিশকে প্রতিহত করার জন্য এলাকার সমস্ত মানুষকে আহবান জানানো হয়। মসজিদের মাইকে ঘোষনা দেয়ার পর আংটিহারা এলাকার জামায়াত-শিবিরের শত শত মানুষ রাতের আধারে আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়। কিন্তু জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী ও সমর্থক এলাকার মানুষ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ও গুলি ছুড়তে থাকে। জামায়াত-শিবিরের আক্রমণে পুলিশ সদস্য মফিজুল ইসলামের বাম পায়ে হাটুর ওপর একটি গুলি লাগলে তিনি মাটিতে পড়ে যান।এ সময় মফিজুলের অন্যান্য সহযোগীরা এটি দেখে গুলি চালাতে থাকে। পরে মফিজুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে কয়রা উপজেলার জায়গীর মহল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে খুমেক হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মফিজুলকে মৃত ঘোষণা করেন। অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে পুলিশ সদস্য মফিজের মৃত্যু হয়। তিনি আরও জানান, ঐদিন রাতে যারা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছিল তারা সকলে জামায়াত শিবির ও বিএনপির অনুসারী ছিল। এ হত্যার ঘটনায় আংটিহারা ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই মোমেনুর রহমান বাদী হয়ে ৮জন আসামির নাম উল্লেখ করে কয়রা থানায় হত্যা মামলার দায়ের করেন(যার নং-৮)। এজাহারভুক্ত আসামিরা হলো গনি সরদার, রশীদ সরদার, আনারুল, সিরাজুল, আয়েশা খাতুন, মফিজুল ইসলাম নান্নু, রেজাউল ইসলাম ও মজিদ গাজী। হত্যাকান্ডের পর থেকে উল্লিখিত আসামিরা গা ঢাকা দেয়। প্রথমদিকে মামলাটি তদন্ত করেন কয়রা থানার পুলিশ পরিদর্শক মো: বাবুল আক্তার। তদন্তে নেমে তিনি আসামিদের ধরতে ব্যর্থ হওয়ায় মামলাটি একই বছরের ১০ অক্টোবর সিআইডিতে হস্তান্তর করা হলে তদন্ত করেন সিআইডি এসআই মিলন কুমার ঘোষ। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডি পুলিশ পরিদর্শক মো: হায়াত আলীর ওপর। তিনি হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একনলা বন্দুক ও ৮রাউন্ড গুলিসহ পরিতোষ নামে একজন আসামিকে আটক করেন। তদন্ত শেষে হায়াত আলী এজাহারে বর্ণিত ৮আসামিসহ আরও ২৫জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে বাদী উল্লিখিত আসামিদের নামসহ অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন জানালে আদালত ২০১৬ সালের ২৮জুন পিবিআইতে প্রেরণ করেন।পিবিআই পরিদর্শক শেখ আবু বক্কার সিদ্দিক তদন্তভার গ্রহণ করেন। ওই সময়ে মামলার দু’জন আসামি উচ্চ আদালতে তদন্ত স্থাগিতের জন্য আবেদন করে। এরপর মামলাটি ২০২০ সালের ৩১ডিসেম্বর মামলাটি পিবিআই পরিদর্শক লতিফ তদন্ত করেন। এরপর ২০২২সালের ২৬জানুয়ারি উচ্চ আদালত আসামিদের আবেদন করা স্থাগিতাদেশ প্রত্যাহার করলে তদন্ত শেষে তিনি আদালতে উল্লিখিত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ##

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu