ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

করোনায় চাকুরীর বয়সে ক্ষতিগ্রস্থদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবীতে মানববন্ধন

পদসংখ্যা কমপক্ষে ৫৮হাজার বৃদ্ধির দাবী

###    করোনার সময়ে চাকুরীর বয়সে ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবীতে মানববন্ধন করেছে চাকুরী প্রত্যাশীরা। সোমবার খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে করোনায় বয়সে ক্ষতিগ্রস্থ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০০০ পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী চাকুরী প্রত্যাশীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন চাকরি প্রত্যাশী বৃন্দ আলী আকবর, রুম্মান, রনী, মামুন, সাহাব, প্রান্ত, রেজা, মামুন, নাঈম, মেহেদী হাসান প্রমুখ। সমাবেশে চাকুরী প্রত্যাশীরা বলেন, ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে দীর্ঘ দেড় বছর এই নিয়োগ পরীক্ষা বিলম্বিত হয়। করোনাকালীন সময়ে গুটি কয়েক চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি জনিত কারণে ২০২০-২১ সালে নিয়োগ পরীক্ষা প্রায় বন্ধ থাকে। এ সময় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যেসব চাকরি প্রত্যাশীর বয়স ২৭, ২৮ ও ২৯ এর কোঠায় ছিল। করোনার কারণে বিজ্ঞপ্তি এবং পরীক্ষা না থাকায় তারা বিপাকে পড়ে। এরপর ২০২২ সালে কিছু পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় যার মধ্যে সবচেয়ে বড় নিয়োগ পরীক্ষা ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০। করোনা না হলে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেক আগেই সম্পন্ন হত। করোনা মহামারী আমাদের জীবনের মহামূল্যবান ২ বছর সময় নষ্ট করে দিয়েছে। করোনায় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আমাদের জীবন, পারিবারিক পরিস্থিতি দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তা স্বত্ত্বেও প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস মনোবল ও প্রত্যাশা নিয়ে আমরা চাকরির প্রস্তুতি চালিয়েছি। বর্তমানে আমাদের পরিবারের অর্থনৈতিক দৈন্যদশা এবং দীর্ঘসময় প্রতীক্ষার কারণে এই চাকরিটা আমাদের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ছে। করোনাকালীন বিরাট সংখ্যক চাকরি প্রত্যাশী অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও চাকরির পরীক্ষা না থাকায় বয়স ও মনোবল হারিয়ে তাদের নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ অনেকটাই কমে গেছে। করোনা মহামারী এবং বর্তমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে যখন দেশের অর্থনীতি কঠিন চাপের মুখে তখন আমাদের অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর পরিবারের একমাত্র আশার আলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নিয়োগ-২০২০। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ বিজ্ঞপ্তিতে পদসংখ্যা উল্লেখ না থাকায় পদসংখ্যা কমপক্ষে ৫৮হাজার বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করার এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার শক্ত ভিত্তি বিনির্মাণে করোনায় বয়সের ক্ষতি মোকাবেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ সংখ্যক পদ বৃদ্ধি করে চূড়ান্ত ফলাফল আশু প্রদানের দাবী জানান তারা। ##

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Banglar Dinkal

করোনায় চাকুরীর বয়সে ক্ষতিগ্রস্থদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত সময় ০৭:০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ নভেম্বর ২০২২

পদসংখ্যা কমপক্ষে ৫৮হাজার বৃদ্ধির দাবী

###    করোনার সময়ে চাকুরীর বয়সে ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের দাবীতে মানববন্ধন করেছে চাকুরী প্রত্যাশীরা। সোমবার খুলনা প্রেসক্লাবের সামনে করোনায় বয়সে ক্ষতিগ্রস্থ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০০০ পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী চাকুরী প্রত্যাশীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করেন চাকরি প্রত্যাশী বৃন্দ আলী আকবর, রুম্মান, রনী, মামুন, সাহাব, প্রান্ত, রেজা, মামুন, নাঈম, মেহেদী হাসান প্রমুখ। সমাবেশে চাকুরী প্রত্যাশীরা বলেন, ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। করোনা ভাইরাস মহামারীর কারণে দীর্ঘ দেড় বছর এই নিয়োগ পরীক্ষা বিলম্বিত হয়। করোনাকালীন সময়ে গুটি কয়েক চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয় এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি জনিত কারণে ২০২০-২১ সালে নিয়োগ পরীক্ষা প্রায় বন্ধ থাকে। এ সময় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যেসব চাকরি প্রত্যাশীর বয়স ২৭, ২৮ ও ২৯ এর কোঠায় ছিল। করোনার কারণে বিজ্ঞপ্তি এবং পরীক্ষা না থাকায় তারা বিপাকে পড়ে। এরপর ২০২২ সালে কিছু পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় যার মধ্যে সবচেয়ে বড় নিয়োগ পরীক্ষা ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০। করোনা না হলে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেক আগেই সম্পন্ন হত। করোনা মহামারী আমাদের জীবনের মহামূল্যবান ২ বছর সময় নষ্ট করে দিয়েছে। করোনায় অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আমাদের জীবন, পারিবারিক পরিস্থিতি দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। তা স্বত্ত্বেও প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস মনোবল ও প্রত্যাশা নিয়ে আমরা চাকরির প্রস্তুতি চালিয়েছি। বর্তমানে আমাদের পরিবারের অর্থনৈতিক দৈন্যদশা এবং দীর্ঘসময় প্রতীক্ষার কারণে এই চাকরিটা আমাদের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ছে। করোনাকালীন বিরাট সংখ্যক চাকরি প্রত্যাশী অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও চাকরির পরীক্ষা না থাকায় বয়স ও মনোবল হারিয়ে তাদের নতুন সরকারি চাকরির সুযোগ অনেকটাই কমে গেছে। করোনা মহামারী এবং বর্তমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে যখন দেশের অর্থনীতি কঠিন চাপের মুখে তখন আমাদের অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর পরিবারের একমাত্র আশার আলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নিয়োগ-২০২০। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২০ বিজ্ঞপ্তিতে পদসংখ্যা উল্লেখ না থাকায় পদসংখ্যা কমপক্ষে ৫৮হাজার বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করার এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার শক্ত ভিত্তি বিনির্মাণে করোনায় বয়সের ক্ষতি মোকাবেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ সংখ্যক পদ বৃদ্ধি করে চূড়ান্ত ফলাফল আশু প্রদানের দাবী জানান তারা। ##