মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা তেরখাদায় অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামি আটক তেরখাদায় নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালন জাতীয় শোক দিবসের বিশেষ নিবন্ধ : ১৫ আগষ্ট বাঙালি জাতির একটি কলঙ্কিত ইতিহাস যশোরে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাভারে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের উপর হামলা, হত্যার চেষ্টা শোকাবহ আগস্টে অপশক্তি ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান : এমপি সালাম মূর্শেদী জাতীয় শোক দিবসে বিশেষ প্রতিবেদন : সেই শিশু আজ জগৎ জোড়া কয়রার দক্ষিণ বেদকাশীর রিংবাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত, দূর্ভোগে হাজারো মানুষ ভেড়ামারায় তেল পাম্পে ট্যাংকি বিস্ফোরণে নিহত-২, আহত-৪

বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৯
  • ৫৬৩ পড়েছেন

তথ্যবিবরণী :
বিশ্বব্যাপী ২৪ হতে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। বিগত দুই বছর ধরে বিশ্বব্যাপী হাম ও রুবেলা ভাইরাসের সংক্রমণ নতুন করে দেখা দেওয়ায় এবছর বাংলাদেশে টিকাদান সপ্তাহে হামের টিকা দেওয়ার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। হামের এই টিকার প্রথম ভোজ শিশুর নয় মাস বয়স পুর্ণ হলে এবং দ্বিতীয় ডোজ শিশুর ১৫ মাস বয়স পুর্ণ হলে যে কোন টিকাদান কেন্দ্র থেকে দেওয়া যাবে।

‘কার্যকর টিকা, সকলের সুরক্ষা’ শ্লোগান নিয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) খুলনা স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানার সভাপতিত্বে বিভাগীয় পর্যায়ে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সুবাস চন্দ্র সাহা, পরিবার পরিকল্পা বিভগের পরিচালক মোঃ শরিফুল ইসলাম, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস, পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, ডাঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম, কেসিসির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা স্বপন কুমার হালদার এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাহেব আলী প্রমুখ। স্বাগত জানান খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক ডাঃ মোঃ মঞ্জরুল মুরশিদ। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডাঃ মোঃ আরিফ।

সভায় জানানো হয়, ১৯৭৯ সালের ৭ই এপ্রিল বাংলাদেশে ছয়টি রোগের বিরুদ্ধে সম্প্রসারিত টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়, যা বর্তমানে ১০টি রোগের ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হয়েছে। ১৯৮৫ সাল থেকে গ্রাম ও শহর এলাকায় ইপিআই সেবা পর্যায়ক্রমে সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে সহজলভ্য করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে পোলিও নির্মূল এবং মা ও শিশুদের ধনুষ্টংকার দূরীকরণ কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৯৭ সাল থেকে একিউড ফ্লাসিড প্যারালাইসিস, হাম, নিউনেটাল টিটেনাস এবং ২০১২ সাল থেকে কনজেনিটাল রুবেলা সিনড্রোম সার্ভিলেন্স কার্যক্রম শুরু হয়। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে ২০০৩ সালে হেপাটাইটিস-বি, ২০০৯ সালে হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি, ২০১২ সালে হাম ও রুবেলার প্রথম ডোজ, হামের দ্বিতীয় ডোজ এবং ২০১৫ সালে হাম ও রুবেলার দ্বিতীয় ডোজ, পিসিভি ও আইপিভি সংযোজিত হয়। ২০০৪ সাল থেকে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিতে এডি সিরিঞ্জ এবং সেফটি বক্স সংযোজিত হয়। ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশে মা ও শিশুদের ধনুষ্টংকর দূরীকরণ অবস্থা বজায় রয়েছে। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের সাথে বাংলাদেশও পোলিও মুক্ত সনদ লাভ করে। ২০১৮ সালে রুবেলা এবং কনজেনিটাল রুবেলা সিনড্রোম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়। ২০১৯ সাল থেকে ১৫-৪৯ বছর বয়সী সন্তান ধারণক্ষম সকল মহিলাদের টিটি টিকার পরিবর্তে টিডি টিকা জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে সংযোজিত এবং ২০০৯ ও ২০১২ সালে শিশুদের রোগ প্রতিরোধে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ গ্যাভি অ্যালায়েন্স অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়।

এ্যাডভোকেসি সভায় স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu