শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে হেলমেটধারীরা সমাবেশে হামলা চালায় : বিএনপি নেতৃবৃন্দ খুলনায় দুইস্থানে আওয়ামীলীগ-বিএনপির সভা আহবান, পুলিশের নিষেধাজ্ঞা জারি খুলনা জেলা পরিষদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিএনপির কর্মীসভায় হামলা-ভাংচুর, শতাধিক নেতাকর্মী আহত তোরখাদায় যুবলীগের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালন দাকোপে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে রাজাকার অতিথি, মুক্তিযোদ্ধাদের অনুষ্ঠান বর্জন দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার পৃষ্ঠপোষকদের ফাঁসি দিতে হবে আওয়ামীলীগ তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল প্লাস্টিক দূষণ রোধকল্পে টেকসই ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য : ড. মুহাম্মদ আলমগীর

নানা সংকটে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৯
  • ৯৮২ পড়েছেন

রূপসা প্রতিনিধি : খুলনার রূপসা উপজেলা যেখানে লাখো মানুষের বসবাস তাদের জন্য রয়েছে একটি মাত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা। রয়েছে জনবল ও বিশুদ্ধ পানির সংকট।

বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে হাসপাতালকে সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। টিকিট কাউন্টারের সামনে রোগীদের দীর্ঘ লাইন ২ থেকে ৩ জন মেডিকেল অফিসার দিয়ে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। জরুরি বিভাগে রোগী দেখতে হিমশিম খাচ্ছে কর্মরত চিকিৎসকরা। এখানে যে এক্স-রে মেশিন রয়েছে তা এখন পুরোপুরি নষ্ট। প্যাথলজি বিভাগের আরও করুণ দশা, রক্ত, মলমূত্র বিনা মূল্যে পরীক্ষা করার জন্য যে রিয়েজেন্ট লাগে তা হাসপাতালে সরবরাহ করা হয় না। যার কারণে রোগীদের এসব পরীক্ষা করার জন্য খুলনা সদরের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হয়। এখানে বিশুদ্ধ পানির কোনো ব্যবস্থা নেয়। একটি ডিপ টিউবওয়েল বসানো হলেও সেখান থেকে উঠছে নোনা পানি। ফলে বাইরের বিভিন্ন দোকান থেকে পানি কিনে খেতে হয় রোগীদের।

এ দিকে হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোগীদের ওয়ার্ডগুলো মারাত্মক নোংরা। বাথরুমের দুর্গন্ধে রোগীদের টিকে থাকা দায়। সন্ধ্যার পর লোডশেডিং হলেই হাসপাতালের তৃতীয় তলায় ভূতুড়ে অন্ধকারে পরিণত হয়। এ সময় রোগী বা তাদের সজনদের ওই তিন তলায় যেতে হয় অন্ধ মানুষের মত হাতড়িয়ে হাতড়িয়ে। এছাড়া হাসপাতালে মোট জনবল ১৬৯ জন থাকার কথা থাকলেও আছে ১১৭ জন, শূন্য আছে ৫২টি পদ।

চিকিৎসা নিতে আসা হারুন মোল্যা জানায়, হাসপাতালে ডাক্তার কম থাকায় আমরা উত্তম সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।

অপরদিকে রোগীর সাথে আসা তাহেরা খাতুন জানান, বিশুদ্ধ পানি না থাকায় অনেক সমস্যা হচ্ছে। একটি ডিপ টিউবওয়েল থাকলেও সে পানি মুখে দিলে বমি চলে আসে।

এ ব্যাপারে উপজেলা আবাসিক মেডিকেল অফিসার তারেক উর রহমান বলেন, জনবল সংকট ও বিশুদ্ধ পানি না থাকার কারণে অনেক সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu