শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিএনপিকে রাজপথে শক্ত হাতে মোকাবেলা করা হবে লেখাপড়ার সাথে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা একান্ত প্রয়োজন -সিটি মেয়র কলাপাড়ায় ২০ কেজি মাংসসহ দুই হরিন শিকারী আটক তেরখাদায় জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মফিজুর রহমানের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান: তেরখাদায় এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদী মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক স্থাপনা নির্মাণে প্রধান শিক্ষকের চক্রান্ত ! চট্টগ্রামের হটহাজারীতে মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর মামলার আসামীর কারাগারে মৃত্যু পতাকাসহ পাকিস্তান দলকে দেশে ফেরত পাঠানো উচিত : তথ্যপ্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ ভবদহের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে ভুক্তভোগীদের অবস্থান কর্মসূচি পালন করোনাকালীন এক লাখ ৩৫ হাজার শ্রমিককে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র

ধর্ষক প্রমাণিত হলে তাকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড দিতে হবে-জনউদ্যোগ,খুলনার আলোচনা সভায় বক্তারা

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ১৫ মে, ২০১৯
  • ৫৬৮ পড়েছেন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :

বুধবার ১৫ মে বেলা ১১টায় বিএমএ’র সেমিনার কক্ষে জনউদ্যোগ, খুলনার আয়োজনে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং আমাদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এ দেশে নারীর প্রতি যৌন সহিংসতা এত তীব্র হয়েছে সুবিচারের অভাবে। আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষক প্রমাণিত হলে তাকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদন্ড দিতে হবে। আইনী সীমাবদ্ধতা, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, লোকলজ্জা এবং পুলিশ ও সমাজের প্রভাবশালীদের অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। আমাদের দেশে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা বাড়ছে তাই শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাস গড়ে তুলতে হবে। যে আইন আছে, বিজ্ঞপ্তি আছে, তা দিয়ে সচেতনতা তৈরি করা এবং অপরাধের ভীতিটা জানাতে হবে। ইন্টারনেট থেকে পন্যগ্রাফী ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ করতে হবে। শিশুরা যেন অবাধে মোবাইল ফোন ব্যবহার না করতে পারে সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে একটি জাতীয় সুরক্ষা কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা, পৃথক শিশু অধিদপ্তর ও জাতীয় শিশু অধিকার কমিশন গঠন করতে হবে। জনউদ্যোগ, খুলনার আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএমএ’র সভাপতি শেখ বাহারুল আলম। বিষয়বস্তুর উপর ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন জনউদ্যোগ, খুলনার সদস্য সচিব সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। সঞ্চালনা করেন এ্যাডঃ শামীমা সুলতানা শীলু।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জনউদ্যোগের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব তারিক হোসেন, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয়নেতা শ্যামল সিংহ রায়, নারীনেত্রী এ্যাডঃ সুলতানা রহমান শিল্পী, সুতপা বেদজ্ঞ,খুলনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ, সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, আয়কর আইনজীবী সমিতির এস এম শাহনওয়াজ আলী, জেপির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার এ্যাডঃ মোমিনুল ইসলাম, ওয়ার্কার্স পাটির শেখ মফিদুল ইসলাম, নির্যাতিত নারী অধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার এ্যাডঃ তসলিমা খাতুন ছন্দা, সেফের সমন্বয়কারী আসাদুজ্জামান, শান্তিসদনের প্রতিষ্ঠাতা রসু আক্তার, পরিবর্তনের নির্বাহী পরিচালকএম নাজমুল আজম ডেভিড, পোল্ট্রি ফিস ফিড শিল্প মালিক সমিতির মহাসচিব এস এম সোহরাব হোসেন, সিলভী হারুণ, মহিলা শ্রমিকলীগের সভাপতি মনিরা সুলতানা, সোনালী দিন প্রতিবন্ধী সংস্থার ইসরাত আরা হীরা, আলীজ একাডেমীর সভাপতি সৈয়দ আলী হাকিম, নান্দিক একাডেমীর পরিচালক জেসমিন জামান, সঞ্জয় কুমার মল্লিক, নূরুন নাহার হীরা, বনানী সুলতানা, সালমা সুলতানা, বেদৌরা আফরোজ, আলমাস আরা, মোঃ মশিউর রহমান, মোঃ আসিফ ইকবাল, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা আরো বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার নারী লজ্জায় এবং আতঙ্কে থাকেন। তিনি পুলিশের কাছে গিয়ে সে অভিজ্ঞতা বা ধর্ষক সম্পর্কে তথ্য জানাতে ভয় পান, কুণ্ঠা বোধ করেন। অনেকদিন লেগে যায় ধর্ষণের কথা কাউকে বলতে।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)
Hwowlljksf788wf-Iu