তৈয়ব মুন্সির ফেসবুক পোস্ট সংবাদে কেইউজের নিন্দা ও এমইউজের বিবৃতির প্রতিবাদ

39

খবর বিজ্ঞপ্তি :
মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা’র (এমইউজে) সাবেক সভাপতি ও বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান আবু তৈয়ব মুন্সি খুলনার প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক সম্পর্কে তার ফেসবুক আইডিতে যে অসত্য তথ্য পোস্ট করেছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং এ ঘটনার তদন্তপূর্বক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে)। একই সাথে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এমইউজে’র নেতৃবৃন্দ যে উদ্দেশ্যেমূলক বিবৃতি দিয়েছেন তার তীব্র প্রতিবাদ ও অবিলম্বে তাদের এই বিবৃতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে কেইউজে’র নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘২২ এপ্রিল প্রকাশিত বিবৃতিতে দেখা যায়- এমইউজে তাদের সদস্য আবু তৈয়ব মুন্সির পক্ষে বিবৃতি দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন করার জন্য ‘দলকানা সাংবাদিক’ শব্দ উল্লেখ করেছেন। তাদেরকে স্পষ্ট করে বলতে হবে কে দলকানা সাংবাদিক? তা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠিন অবস্থানে যাবো। প্রকৃতপক্ষে দেখা যাচ্ছে, তৈয়ব মুন্সির ব্যক্তি কাজের পক্ষে সাফাই দিতে দিয়ে এমইউজে’র দলকানা পরিচয় ফুটে উঠেছে।’

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘আবু তৈয়ব মুন্সি পত্র-পত্রিকা অথবা তার মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ না করে তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে খুলনার সর্বজন শ্রদ্ধেয় একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদকে নিয়ে অসত্য তথ্য পোস্ট; যা সাংবাদিকতার কোন নীতি-নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। সুতরাং এটি তৈয়ব মুন্সির একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। এ ব্যাপারে তার পরিবারের দায়বদ্ধতা থাকতে পারে, তবে সাংবাদিক ইউনিয়ন, সাংবাদিক সমাজ কিংবা প্রেস ক্লাবের দায়বদ্ধতা থাকতে পারে বলে খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ন (কেইউজে) মনে করে না।’

কেইউজে’র নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘খুলনার একজন প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সম্মান ক্ষুণ্ন করতে আবু তৈয়ব মুন্সি ফেসবুক আইডিতে যে অসত্য তথ্য পোস্ট করেছেন, তার পক্ষে যে বা যারা অবস্থান নিয়েছে আমরা অবিলম্বে সে অবস্থান থেকে সরে আসার আহ্বান জানাই। অন্যথায় খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নও তাদের বিরুদ্ধে কঠিনভাবে অবস্থান নেবে বলে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।

বিবৃতিদাতারা হলেন ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, সহ-সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবীর ও মহেন্দ্রনাথ সেন, সাধারণ সম্পাদক ও বিএফইউজে’র নির্বাহী সদস্য মোঃ সাঈয়েদুজ্জামান সম্রাট, যুগ্ম সম্পাদক নেয়ামুল হোসেন কচি, কোষাধ্যক্ষ অভিজিৎ পাল, দপ্তর সম্পাদক জয়নাল ফরাজী, প্রচার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূর হাসান জনি, নির্বাহী সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, আল মাহমুদ প্রিন্স ও বিমল সাহা। অনুরূপ বিবৃতি দিয়েছেন বিএফইউজের নির্বাহী সদস্য এস এম ফরিদ রানা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here