শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে হেলমেটধারীরা সমাবেশে হামলা চালায় : বিএনপি নেতৃবৃন্দ খুলনায় দুইস্থানে আওয়ামীলীগ-বিএনপির সভা আহবান, পুলিশের নিষেধাজ্ঞা জারি খুলনা জেলা পরিষদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিএনপির কর্মীসভায় হামলা-ভাংচুর, শতাধিক নেতাকর্মী আহত তোরখাদায় যুবলীগের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালন দাকোপে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে রাজাকার অতিথি, মুক্তিযোদ্ধাদের অনুষ্ঠান বর্জন দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার পৃষ্ঠপোষকদের ফাঁসি দিতে হবে আওয়ামীলীগ তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল প্লাস্টিক দূষণ রোধকল্পে টেকসই ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য : ড. মুহাম্মদ আলমগীর

অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে অতিরিক্ত চাঁদা কর্তন প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৯
  • ৫৬৩ পড়েছেন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

বৃহস্পতিবার ০২ মে  সকাল ১১টায় খুলনা মহানগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও জাতীয় শিক্ষক পরিষদ বাংলাদেশ সমন্বয়ে গঠিত মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটি, খুলনা জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে অতিরিক্ত চাঁদা কর্তনের প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন এবং মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

খুলনা জেলা ও মহানগর লিয়াজোঁ কমিটির আহবায়ক প্রদীপ কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বলেন, যখন সারা দেশের এমপিও-ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকারি বেসরকারির মধ্যে আর্থিক বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে জাতীয়করণের দাবি জানাচ্ছেন, ঠিক তখন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড এবং কল্যাণ ট্রাস্টে মূল বেতনের ৬%-এর স্থলে ১০% চাঁদা কর্তনের প্রজ্ঞাপন জারি করে বৈষম্য আরও বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে। এতে সাড়ে ৫ লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারির মধ্যে ব্যাপক হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে অতিরিক্ত চাঁদা কর্তনের প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবি জানান। বক্তারা আরো বলেন, দেশের শিক্ষাবিদগণ ও শিক্ষকসমাজ আশা করেন প্রতি বছর বাজেটে ভর্তুকীর পরিমাণ বৃদ্ধি করে পর্যায়ক্রমে একসময় চাঁদা কর্তন একেবারেই বন্ধ করা হবে। শুধু তাই নয়, শিক্ষক-কর্মচারিদের জাতীয় দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ পূর্ণাঙ্গ পেনশনের আওতায়ও আনা হবে। স্বল্প সময়ের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলক শিক্ষা ও জাতীয়করণ করা না হলে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি’র সকল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাঁরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনি সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাক্ষেত্রের বিদ্যমান বৈষম্য দূর করুন। এতে কর্মরত শিক্ষকদের মধ্যে কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশার প্রতি আকৃষ্ট হবে।

এ সময়ে বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা ও মহানগর লিয়াজোঁ কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মনিরুল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও শিক্ষকনেতা শেখ মোহাম্মদ আলী, খুলনা জেলা শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিমল কৃষ্ণ বৈরাগী, শিক্ষকনেতা সরদার আরজান আলী, গাজী মারুফুল কবির, হিরণ্য চন্দ্র মণ্ডল, শেখ মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিমান কুমার নন্দী, রিয়াজুল করিম, এস এম আসাদুজ্জামান, মোঃ মাহাবুব রহমান, হারুন অর রশীদ, আশুতোষ সরকার, সুলতান মাহমুদ রাজা, অশোক কুমার দে, অনুদ্যুতি কুমার মণ্ডল, শিশির রঞ্জন মণ্ডল, সৈয়দ আরিফুল ইসলাম, মোঃ আবুল হোসেন শিকদার, ভবতোষ ঘোষ, মোঃ মনিরুজ্জামান প্রমুখ

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu