যে কোন মূল্যে মজুরি কমিশনের বাস্তবায়ন চায় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা,ফের আন্দোলনের প্রস্তুতি

0
68

কানাই মণ্ডল :
প্রথম ও দ্বিতীয় দফা আন্দোলনের পরও বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) পক্ষ থেকে দাবি মেনে নেওয়ার বিষয়ে কোনো সুরাহা হয়নি। বিজেএমসির চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেও কোনো ফল পায়নি। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ করে শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি, মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবিতে ফের আন্দোলন কর্মসূচিতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিক নেতারা। যে কোন মূল্যে দাবি বাস্তবায়ন করতে চান তারা। কঠোর আন্দোলন ছাড়া দাবি আদায় সম্ভব নয় বলে মনে করছেন পাটকল শ্রমিকনেতারা।

সোমবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাটকল পরিচালনায় ব্যর্থতার অভিযোগ এনে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর অপসারণ চেয়েছে বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দরা। সংবাদ সম্মেলনে মজুরি কমিশন-২০১৫ বাস্তবায়ন, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারীদের পিএফ, গ্রাচুইটি ও মৃত শ্রমিকের বিমার বকেয়া পরিশোধ, পাটশিল্পকে কৃষিশিল্পের মর্যাদা দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়ন, শ্রমিক-কর্মচারীদের নিয়োগ ও স্থায়ী করা, অব্যবস্থাপনায় মজুত করা প্রায় ৬৭৩ কোটি টাকার পাট বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা, চাকরিরত অবস্থায় মারা যাওয়া শ্রমিকদের পরিবারকে আইন অনুযায়ী ৩৬ মাসের বেতন পরিশোধ করাসহ ৯ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন তারা। এ মসয় ধর্মঘটে যাওয়াসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন পাটকল শ্রমিক লীগের নেতারা। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ৩০ অক্টোবর প্রতিটি মিল গেটে শ্রমিক সমাবেশ। এছাড়া ২ ও ১৮ নভেম্বর প্রত্যেক পাটকলে শিফটে বিক্ষোভ, ১২ নভেম্বর বিজিএমসির প্রধান কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি ও ১৩ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অভিমুখে মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান। এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে কারখানায় ধর্মঘট ও আন্দোলন করা হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়ে সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি স্কেল বাস্তবায়নসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য এক সপ্তাহের মধ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে(২০অক্টোবর) রোববার বিজেএমসির চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়েছে পাটকল শ্রমিক লীগ।

এদিকে গত ২১ অক্টোবর সোমবার বেলা ১১টায় বিজেএমসির সিবিএ কার্যালয়ে সারাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের শ্রমিক নেতারা বৈঠক করে। তাদের দাবি সম্বলিত আন্দোলন সফল করার লক্ষ্যে ২৩ অক্টোবর খুলনার খালিশপুর জুটমিলে সিবিএ নেতাদের বৈঠক, ২৬ অক্টোবর ঢাকায় জনসভা এবং ২৭ অক্টোবর চট্টগ্রামের আমিন জুটমিলে জনসভা হয়। এছাড়া আগামী ১লা নভেম্বর খালিশপুর পিপলস গোল চত্বরে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল সিবিএ-ননসিবিএ সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচিতে সারাদেশের সিবিএ নেতারা থাকবেন। এ সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিক নেতারা।

বর্তমানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বিজেএমসির আওতায় ২৬টি পাটকলের মধ্যে চালু আছে ২৫টি। এর মধ্যে ২২টি পাটকল ও ৩টি ননজুট কারখানা। খুলনাঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত ৯টি পাঠকল ক্রিসেন্ট জুট মিল, দৌলতপুর জুটমিল, স্টার জুটমিল, প্লাটিনাম জুবলী জুটমিল, খালিশপুর জুটমিল, ইস্টার্ন জুটমিল, আলিম জুটমিল, যশোরের জেজেআই জুটমিল ও কার্পেটিং জুট মিলের শ্রমিকদের গড়ে ৭-৮ সপ্তাহের মজুরি এবং কর্মচারি কর্মকর্তাদের ৩-৪ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে বলে মিল কতৃপক্ষ ও শ্রমিক নেতা সূত্রে জানা যায়। বিজেএমসি ও মিল কর্তৃপক্ষ বলছে, আর্থিক সংকটের কারণে সময়মতো মজুরি পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৮ মে শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় সভায় সকল মিলের প্রকল্প প্রধান বরাবরে জাতীয় মজুরী স্কেল, ২০১৫ এর চূড়ান্ত ফিক্সেশন সম্পন্ন করে ১৮ মে’র মধ্যে শ্রমিকদের অনুকুলে নতুন মজুরি স্বেলে পে-স্লিপ প্রদান করার নির্দেশনা থাকা সত্তে্বও এ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি। ১৬ মে ও ১৬ এপ্রিল পত্র প্রেরণ করার পরও জাতীয় মজুরি স্কেল বাস্তবায়ন বিলম্বিত করা হচ্ছে। ফলে শ্রমিকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। ২০১০ অনুযায়ী শ্রমিকেরা যে মজুরি পাচ্ছে তা দিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। শ্রমিকরা পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া ও চিকিৎসার ব্যয় চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিনা চিকিৎসায় অসুস্থ হয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের মৃত্যুর হার বাড়ছে। বকেয়া বেতন ও মজুরী ৯৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। গ্রাচ্যুইটি বকেয়া ২০১৩-১৪ থেকে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের ৫০৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং জীবিত অবস্থায় যাদের নমিনী করে গেছেন তাদের মধ্যে অনেকে মৃত্যুবরণ করেছেন।

বিজেএমসির কর্মকর্তা ও শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারি পাটকলে লোকসানের বড় কারণ কাঁচা পাট কেনায় অব্যবস্থাপনা। ভরা মৌসুমে কাঁচা পাটের মণ থাকে এক হাজার থেকে বারো’শ টাকা। তখন বিজেএমসি পাট কিনতে পারে না। দাম বেড়ে যখন দুই হাজার থেকে বাইশ’শ টাকা হয়েছে, তখন তারা পাট কিনছে। সময়ের পাট অসময়ে কিনতে গিয়েই বিজেএমসি কোটি কোটি টাকা গচ্চা দিচ্ছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে লাভ কীভাবে হবে?’

এ ছাড়া সরকারি পাটকলের উৎপাদনশীলতা কম, উৎপাদন খরচ বেশি, যন্ত্রপাতি পুরোনো এবং বেসরকারি খাতের তুলনায় শ্রমিকের মজুরি বেশি। লোকসান ও অব্যবস্থাপনার কারণে শ্রমিকদের মজুরি দিতে পারে না পাটকলগুলো। অবিক্রীত পণ্য গুদামে পড়ে থাকে।

গত ২৫ অক্টোবর শুক্রবার রাতে খুলনার খালিশপুর প্লাটিনাম জুবলী মিলে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপির সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খুলনা-যশোর অঞ্চেলের নয় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের প্রকল্প প্রধানরা পাটকলের দুরবস্থার কথা তুলে ধরেন। নয় পাটকলে বর্তমানে শ্রমিকদের মজুরি ৩৩ কোটি টাকা, কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতন বাবদ আট কোটি টাকা এছাড়া অন্যান্য বকেয়ার মধ্যে পিএফ বাবদ ৮৭ কোটি, গ্রাচ্যূইটি বাবদ ২৩০ কোটি, পাটের দেনা ১৮৬ কোটি এবং অন্যান্য খাতে প্রায় ৭২ কোটি টাকা বকেয়া আছে বলে প্রকল্প প্রধানরা জানান। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী সমস্যা সমাধানে পাটখাতকে আগের যায়গায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক বলে উল্লেখ করেন।

এদিকে গত ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘পাট এমন একটি পণ্য, যার কিছুই ফেলনা নয়। অতএব কেন এতে লোকসান হবে? আমি কোনো লোকসানের কথা শুনতে চাই না বরং পাটশিল্প কীভাবে লাভজনক হবে, সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে।’

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোতে লোকসানের কারণ জানতে চাইলে সিবিএ-ননসিবিএ সংগ্রাম পরিষদের খুলনাঞ্চলের আহবায়ক সরদার আব্দুল হামিদ বলেন, পাট মৌসুমে মন্ত্রনালয় থেকে টাকা না দেওয়ায় সময় মত পাট ক্রয় না করে চার পাঁচ মাস দেরী করে মন প্রতি চার পাঁচ’শ টাকা বেশি দিয়ে পাট ক্রয় করা হচ্ছে। কেনার সময় যদি লাভ করা না যায় তাহলে বিক্রয় করে লাভ করবে কি করে? যার ফলে প্রথমেই বড় অংকের লোকসান গুনতে হচ্ছে। অন্যদিকে পাটের অভাবে মিলে শ্রমিক বসে থাকায় উৎপাদন কম হওয়ায়ও পাটকলগুলোতে লোকসান হচ্ছে। আমরা মনে করি, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের কর্মকর্তাদের অদক্ষ্যতা ও অব্যবস্থাপনার কারনেই সোনালী আঁশের সম্ভাবনাময় সোনার সংসার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো লাভের মুখ দেখছেনা। নিজেদের অব্যবস্থাপনা ঢাকতে পাটকলের লোকসানের জন্য শ্রমিকের অতিরিক্ত মজুরিকেই দোষারোপ করেন বিজেএমসির কর্মকর্তারা। এসব সরকারি কর্মকর্তারা পাট সেক্টরের ভালো মন্দ বোঝে না। তারা শুধু বেতন নেয় আবার কয়মাস পর বদলী হয়ে চলে যায়।

শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে প্লাটিনাম জুট মিলের সিবিএ সভাপতি শাহানা শারমিন বলেন, ‘মজুরি না পেয়ে শ্রমিকেরা অমানবিক জীবনযাপন করছে। অনেকেই অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছে। পাটকলের কর্মকর্তা কর্মচারিরা ২০১৫ সালের পে স্কেল অনুসারে বেতন পেলেও বর্তমানে শ্রমিকরা ২০১০ সালের মজুরি কমিশনের ভিত্তিতে মজুরি পাচ্ছে যার সাথে ২০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দিচ্ছে যা দিয়ে সংসার চলেনা। বর্তমানে একজন নিয়মিত শ্রমিকের মাসিক মূল মজুরি ৪ হাজার ১৫০ টাকা। ২০১৫ সালের মজুরি স্কেল বাস্তবায়িত হলে মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার ৩০০ টাকায় দাঁড়াবে।’ তিনি বলেন, ২০১৩ সালের জুলাই থেকে অদ্যাবধি পিএফ এবং গ্রাচ্যূইটির টাকা বকেয়া। এমন নিরাপত্তাহীনতায় পাটকল শ্রমিকরা বাঁচবে কি করে? বর্তমান প্রেক্ষাপটে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা গেলেই সরকার ব্যাপারটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে মনে করছেন তিনি।

জাতিয় শ্রমিক পার্টির কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও ক্রিসেন্ট জুটমিলের সিবিএ নেতা মো: জাহাঙ্গীর হোসেন চলমান পাটকল শ্রমিক কর্মচারিদের সংকট সম্পর্কে বলেন, ‘সত্যিকার অর্থে প্রত্যেকটা সাধারণ শ্রমিক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপর আস্থাশীল। কারন তিনি আমাদের বন্ধ মিল চালু করছেন, প্রচুর অর্থ বরাদ্ধ দিয়েছেন। তিনি বার বার বলছেন জাতির পিতার জাতীয়করণ করা মিল বন্ধ হতে দিবেন না। এটা আমরা সকল শ্রমিকরা মনে প্রাণে বিশ^াস করি এবং তার প্রতি শতভাগ আস্থা রাখি।’ তিনি বলেন, আমরা এখন উন্নয়নশীল ডিজিটাল বাংলাদেশে বাসকরি। দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে দুরন্ত গতিতে যা বিশে^র অন্যান্য রাষ্ট্রের কাছে অনুকরণীয় বলে বিশে^র বড় বড় নেতারা স¦ীকৃতি দিচ্ছে। এ অর্জন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বৃহত্তর এ অর্জনকে ধংস করতে তৃতীয় এক শ্রেণির লোক আছে যারা পাট সেক্টরকে ইচ্ছাকৃত লোকসানে নিয়ে কৌশলে তাঁর প্রতি সাধারণ শ্রমিকদের ভালোবাসা, আস্থা, শ্রদ্ধা ও বিশ^াসের মধ্যে ভাঙণ ধরাচ্ছে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীরকাছে শুদ্ধি অভিযানে বিজেএমসি’র প্রতি নজর দিতে অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের লোকসান শ্রমিকের জন্য নয় বরং বিজেএমসি’র পরিচালনা ও পরিকল্পনার অদক্ষতার কারণেই হয়।

বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: মামুন খানের কাছে মুঠোফনে অবিক্রিত পাট পণ্যের মজুদ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ পযন্ত ৩০হাজার টন অবিক্রিত পাট পণ্যের মজুত আছে যার বাজার মূল্য ২৮২ কোটি টাকা। জাতীয় মজুরি কমিশন-২০১৫ এর বাস্তবায়নে বিলম্ব প্রসঙ্গে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরি কমিশন-২০১৫ রোয়েদাদ রাষ্ট্রায়ত্ত সব খাতের শ্রমিকদের ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন হলেও বাংলাদেশ পাটকল শ্রমিকরা এখনও বঞ্চিত। তাই পাটকল শ্রমিকরা যে কোন মূল্যে মজুরি কমিশন-২০১৫ বাস্তবায়ন চায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here