শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মোংলায় নাসা অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলনেতা সুমিতকে সংবর্ধনা আমাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য অন্তর্ভুক্ত করেই কারিকুলা বিশ্বমানের করতে হবে : খুবি উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপাচার্য সম্পাদিত গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশ বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে : সিটি মেয়র খুলনায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি কুয়েটের বঙ্গবন্ধু চেয়ার প্রফেসর নিয়োগ পেলেন প্রফেসর ড. খুরশীদা বেগম রূপসায় বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে প্রধান শিক্ষককে ৩ ঘন্টা অবরুদ্ধ, মানববন্ধন এবং ভাঙচুর নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন : সিটি মেয়র চুকনগরে কথিত সাংবাদিক ও সহযোগীদের চাঁদা দাবী : যুবকের আত্মহত্যা সময়ের চাহিদা অনুযায়ী আইন শিক্ষায় প্রযুক্তির সংশ্লেষ ঘটাতে হবে : খুবি উপাচার্য

সরকারের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়নে সীমাহীন দূর্নীতি, বঞ্চিত অনেকেই!

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯
  • ৫৮৫ পড়েছেন

দীপক রায় : ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়া আওয়ামী সরকারের সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিটি নির্বাচনি ইসতেহারেও কথাটি বার বার এসেছে। আর তাই বর্তমান সরকার দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য নানামুখি পদক্ষেপ গ্রহন করেছে। আর একথা অবধারিতভাবে সত্য যে বাংলাদেশ এখন অনেকটাই খাদ্যে স্বয়ং সম্পন্ন এবং এ দেশের মানুষ এখন আর না খেয়ে মরে না। বাংলাদেশ উন্নীত হয়েছে মধ্যম আয়ের দেশে। দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্যে মানুষ আবারও আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে।

শিল্প, কলকারখানা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুতায়ন, সন্ত্রাস দমন, দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনে হাসিনা সরকারের গুন কির্তন করছে এখন পৃথিবীর অনেক সমৃদ্ধ দেশ। বাংলাদেশকে অনুসরণ করে এখন অনেক দেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নের কথা ভাবছে। এত বড় বড় সাফল্যের পরও মনে হয় কোথাও যেন একটু বাধা রয়েছে যার কারণে দেশ যেভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথা ঠিক সেভাবে এগুচ্ছে না। সে কারণটি হলো দূর্নীতি। দূর্নীতি একটু কমাতে পারলে দেশের সমৃদ্ধি আরও দ্রুত গতিতে রূপ নেবে।

প্রিয় পাঠক, যে বিষয়টি নিয়ে বলতে চেয়েছি সেখানে ফিরে যাওয়া ভাল। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প সরকারের একটি যুগান্তকারি পদক্ষেপ। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের কাজ অনেকটা পথ এগিয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এবার নতুন অর্থবছরে বাজেটে (২০১৯-২০) সরকার আরও প্রায় ১৩ লাখ দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষকে এ সুরক্ষার আওতাভুক্ত করার কথা ভাবছেন। এতে সুবিধা পাবেন দেশের প্রায় ৮৯ লাখ গরিব মানুষ। যা চলতি বাজেটে ছিল প্রায় ৭৬ লাখ। আর এ প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করার জন্য বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকা। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী সংক্রান্ত মস্ত্রীসভা কমিটির বৈঠকে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আগামী বাজেটে কার্যকর হবে। এছাড়া প্রাক-বাজেট সভায় অর্থমন্ত্রী বলেছেন,সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী একটি টেকসই ফ্রেমে নেওয়া হবে। যারা এ সেফটিনেট সুবিধা পাবে তাদের পরিবার থেকে একজন করে চাকরি দিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী সংস্কার করা হবে।

সূত্রমতে, আগামী বাজেটে বিধবা ভাতার উপকারভোগী ৩ লাখ, বয়স্কভাতার উপকারভোগী ৪ লাখ, প্রতিবন্ধী ভাতা ৫ লাখ ৫০ হাজার, দরিদ্র মায়ের মাতৃত্বকালীন ভাতা ৭০ হাজার, কর্মজীবি ল্যাকটেটিং মায়ের ভাতাভোগী ২৫ হাজার, জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচীতে ১০ হাজার এবং চা-শ্রমিক ও অন্যান্য সুবিধা পাবে আরও ১৫ হাজার গরিব মানুষ।
সামাজিক সুরক্ষার আওয়তায় যেসব কর্মসূচীর আওতা বাড়ছে-

বিধবা ভাতা: স্বামী পরিত্যাক্তা বা বিধবা নারীদের এ ধরণের ভাতা দিয়ে সহায়তা করছে সরকার। এ কর্মসূচীতে নতুন করে ৩ লাখ নারীকে যুক্ত করা হচ্ছে। ফলে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেটে বিধবা ভাতা পাবে দেশের ১৭ লাখ নারী। এজন্য বরাদ্দ থাকছে ১ হাজার ২০ কোটি টাকা। যা বর্তমানের চেয়ে ১৮০ কোটি টাকা বেশী। বর্তমানে রয়েছে ৮৪০ কোটি টাকা। তবে পূর্বের মত তারা প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করেই পাবে। বর্তমানে ১৪ লাখ নারী এ সুবিধা পাচ্ছেন।

মাতৃত্বকালীন ভাতা: বর্তমানে ৭ লাখ দরিদ্র মাকে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। আগামীতে উপকারভোগীর সংখ্যা আরও ৭০ হাজার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এজন্য বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৭৩৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। বর্তমানে এ খাতে বরাদ্দ আছে ৬৭২ কোটি টাকা । উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাই আগামী বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ৬২ কোটি ২০ লাখ টাকা। বরাদ্দ বাড়লেও ভাতার হার থাকছে অপরিবর্তিত, বর্তমানে ৮০০টাকা করে দেওয়া হচ্ছে আগামীতেও এমনিভাবে দেওয়া হবে।

বয়স্ক ভাতা: আগামী বাজেটে নতুন করে আরও ৪ লাখ গরিব প্রবীণকে বয়স্ক ভাতা দেওয়া হবে এমনটাই ইচ্ছা সরকারের। বর্তমানে সারা দেশে বয়স্ক ভাতা প্রাপ্ত প্রবীনের সংখ্যা ৪০ লাখ। তাহলে আগামীতে সারাদেশে মোট ৪৪ লাখ প্রবীন এ ভাতা পাবেন। বর্তমানে বরাদ্দ আছে ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। তা বাড়িয়ে রাখা হয়েছে ২ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। এটি চলতি বরাদ্দেরচেয়ে ২৪০ কোটি টাকা বেশি। এ কর্মসূচীর আওতায় সুফলভোগীর সংখ্যা বাড়লেও বাড়ছে না ভাতার পরিমান। অর্থাৎ বর্তমানের মত আগামীতেও ৫০০ টাকা হারে বয়স্ক ভাতা প্রদান করা হবে।

প্রতিবন্ধী ভাতা: অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে, তাই আগামী বাজেটে সাড়ে ৫ লাখ অসচ্ছল প্রতিবন্ধীকে এ সেবার আওতায় আনা হচ্ছে। এতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৪৫ হাজার প্রতিবন্ধীকে এ ভাতা প্রদান করা হবে। আর এজন্য বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ১ হাজার ৩৯০ কোটি ৫০ হাজার টাকা। এখানে কর্মসূচীর আওতা যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ানো হচ্ছে ভাতার পরিমানও। বর্তমানে একজন প্রতিবন্ধীকে মাসে দেওয়া হচ্ছে ৭০০ টাকা । আগামীতে দেওয়া হবে ৭৫০ টাকা হারে। ভাতার হার এবং সূফলভোগীর সংখ্যা বাড়ার ফলে আহামী বাজেটে এ কর্মসূচিতে বর্তমান বাচেটের তুলনায় ৫৫০ কোটি টাকা বেশী রাখা হয়েছে। বর্তমানে উপকারভোগীর সংখ্যা ১০ লাখ এবং বরাদ্দ রয়েছে ৮৪০ কোটি টাকা।

কর্মজীবি ল্যাকটেটিং মাদার সহায়তা: বর্তমানে সারা দেশে আড়াই লাখ কর্মজীবি মাকে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আগামী বাজেটে ২ লাখ ৭৫ হাজার মাকে এ সুবিধা দেওয়া হবে। বাজেটে এর জন্য বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ৬৬৪ কোটি টাকা। বর্তমানে এ খাতে বরাদ্দ আছে ২৪০ কোটি টাকা। সুফলভোগীর সংখ্যা বাড়ার কারণে ২৪ কোটি টাকা বেশী রাখা হয়েছে। বাড়েনি ভাতার হার অর্থাৎ বর্তমানে যেমন ৮০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে তিন বছর পর্যস্ত আগামীতেও এ নিয়ম বহাল থাকবে।

চা-শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন: এ কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে দেশের ৪০ হাজার চা-শ্রমিককে এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। আগামীতে ১০ হাজার সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ালে এর সংখ্যা হবে ৫০ হাজার। এরজন্য আগামী বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৫কোটি টাকা। বর্তমানের মতশ্রমিকরা আগামীতেও প্রতিমাসে ৫ হাজার টাকা হারে সহায়তা পাবে।

অন্যান্য আর্থিক সহায়তা: এ সহায়তা দেওয়া হয় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের । এরজন্য সহায়তা দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে, তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। বর্তমানে ১৫ হাজার রোগীকে এ সহায়তা দেওয়ার কথা থাকলেও আগামীতে তা বাড়িয়ে ৩০ হাজার রোগীকে দেওয়ার কথা হয়েছে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯-২০ সালের বাজেটটির সঠিক বাস্তবায়ণ হলে নতুন করে ১৩ লাখ মানুষ এ সুরক্ষার আওতায় আসবে। ভাতা পাবে দেশের ৮৯ লাখ মানুষ। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আগামী বাজেটে সম্ভাব্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫ হাজার ৩২১ কোটি টাকা।
উপরে উল্লেখিত দু’টি বাজেট পর্যালোচনা করলে স্পষ্ট বোঝা যায়, দারিদ্র্য বিমোচনে সরকার কতটা সংকল্পবদ্ধ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বাস্তবায়নে। সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর এবং জনপ্রতিনিধিরা। তাদের দূর্নীতি এবং পক্ষপাতিত্বের কারণে প্রকৃত দরিদ্র ও অতি দরিদ্ররা এ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সেখানে সুযোগ নিচ্ছে উচ্চ ও মধ্যম আয়ের মানুষ। ফলে যাদের জন্য সেবা তারা না পেয়ে অন্যরা পেয়ে যাচ্ছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে সমস্যাসমূহ-

অ-সচেতনতা: দরিদ্র ও অতিদরিদ্র মানুষরা তাদের অধিকার সস্পর্কে সচেতন নয়। তাদের সম্পদ ও প্রাপ্তির বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে আজও ব্যর্থ তাই এ ধরণের সূযোগ সুবিধা থেকে তারা আজও বঞ্চিত হচ্ছে।
জবাবদিহিতার অভাব: সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার অভাব তাই কখন রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন সুযোগ সুবিধা আসছে সাধারণ জনগণ তা জানতে পারে না। আর এই জানতে না পারার কারণে প্রায় অধিকাংশ দরিদ্র অসহায় মানুষ এ সেবার বাইরে থেকে যাচ্ছে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা: অনেক সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে যাদের নাম উপকারভোগীর তালিকায় আসার কথা ছিল তাদের নাম না এসে দলিয় লোকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কট্টোরপন্থী অনেক জনপ্রতিনিধি ও নেতাদের বলতে শোনাযায়, ওদের দল ক্ষমতায় আসলে ওরা অনেক কিছু পাবে এখন নয়।
সীমাহীন দূর্নীতি: সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা নিতে নাম লেখাতে গেলে ঘুষ দিতে হয়, আত্মীয়করণ হয়, দলীয় বা সমর্থনের লোকদের অগ্রাধিকার বেশী থাকে, যাচাই বাছাই নিরপেক্ষভাবে হয় না। কখন কোন সুবিধা আসছে তা জনগণকে জানানো হয় না। দলীয় নেতাদের সুপারিশ লাগে। বার বার এসে বঞ্চিত হয়ে অনেক দরিদ্র মানুষ এ সেবা পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছে।
সঠিক নজরদারির অভাব: সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সেবা কিভাবে দেওয়া হচ্ছে তা তদারকির জন্য সঠিক নজরদারির অভাব। যার কারণে এ প্রকল্পের দূর্র্নীতি চরমে উঠেছে। প্রকৃত উপকারভোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ঘুষ বানিজ্য প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে ম্লান করছে।

উপরে আলোচিত সমস্যাগুলি আজকের নয়, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প শুরু থেকে আজও বিদ্যমান। পত্রপত্রিকায় সমস্যাগুলি বিভিন্ন কায়দায় বহুবার এসেছে অথচ এর কোনো সমাধান নেই। “পাত্রের ফুটো বন্ধ না করে যদি সেই পাত্রে বার বার পানি ঢালা হয় তাহলে সে পানি থাকবে কেমন করে”। যাদের সেবা তারা না পেয়ে, পেয়ে যাচ্ছে অন্য জনে। এতে এক শ্রেনী আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে অন্য শ্রেনী দরিদ্র থেকে অতিদরিদ্র হয়ে পড়ছে, অথচ এর জন্য এখনও অপরাধিদের কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হলো না কেন? কেন সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে না, এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে আজ অনেক প্রশ্ন। শুধু পরিকল্পনা ও বাজেটে প্রকল্পটি আবদ্ধ থাকলে জনগণ সুফল পাবে না দরকার এর সঠিক বাস্তবায়ন। আর বাস্তবানের জন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকেই। তাহলে সত্যি সত্যিই দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব হবে। আগামীতে এসডিজি অর্জনে দেশ অনেকটা এগিয়ে যাবে।
লেখক: উন্নয়ন কর্মী ও সাংবাদিক।
দাকোপ, খুলনা। তারিখ-১৯-০৬-১৯

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu