বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট জুনে চালু হবে  : হাইকমিশনার প্রনয় ভার্মা অবৈধ সংসদ বাতিল,তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং নতুন নির্বাচন কমিশন করতে হবে : গয়েশ্বর রায় খুলনার কেন্দ্রীয় আর্য ধর্মসভা মন্দির কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহানগরীর লবনচরা থেকে ০৬টি ককটেলসহ গ্রেফতার-১ গঙ্গা বিলাস ভারত-বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও ইকোট্যুরিজমের সম্ভাবনা উন্মোচন করবে -হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট জুনে চালু হবে : ভারতীয় হাইকমিশনার প্রনয় ভার্মা  অবৈধ সংসদ বাতিল,তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং নতুন নির্বাচন কমিশন করতে হবে : গয়েশ্বর রায় দৌলতপুরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরণ বাগেরহাটে অবৈধভাবে মজুদ করা ২০ হাজার মেট্রিক টন চাল জব্দ,  গুদাম সিলগালা-জরিমানা কয়রায় হরিণ ধরার ফাঁদসহ ১টি নৌকা আটক

বৃষ্টি বিহীন দাকোপ আকাশের দিকে তাকিয়ে কৃষক

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯
  • ৫৮৯ পড়েছেন

দাকোপ(খুলনা)প্রতিনিধি:

বৃষ্টি বিহীন দাকোপ, আকাশের দিকে তাকিয়ে কৃষক। কবে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হবে, কবে ধানের বিজতলা তৈরী করবে, কতদিনে তারা আমন ধান রোপন শুরু করতে পারবে এমন নানা দুঃচিন্তায় দিশেহারা আমন চাষিরা।

ষড় ঋতুর বাংলাদেশে আষাঢ় শ্রাবন এই দুই মাস বর্ষাকাল হিসেবে পরিচিত কিন্তু আষাঢ় শেষ হল দাকোপ এলাকায় ভারি বৃষ্টির দেখা নেই। তাপদাহে মানুষ ও জীবজন্তুর বেহাল দশা। তাপজনিত অসুখে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগী ধারণের জায়গা নেই। তেমনি নানা রোগে গবাদিপশুর মৃত্যু হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল এবং বিকালে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় সাথে মেঘের গুরু গম্ভির ডাক, মনে হয় এখনি মুষলধারে বৃষ্টি নামবে কিন্তু সামান্ন ছিটে-ফোঁটা বৃষ্টি হয়ে ধুলো ভেজার আগেই আবার বিদেয় হয়। দাকোপের ৯টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা এলাকার প্রধান কৃষিপণ্য হলো আমন ধান। প্রয়োজনমত বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকরা এখনও আমন ধানের বীজতলা তৈরী করতে পারেনি। প্রতিবছর আষাঢ় মাসের মধ্যে বীজতলা তৈরী করে বীজ বপনের কাজ শেষ করে কৃষকরা । ভারি বৃষ্টি না হওয়ায় এবার মাঠে পানি নেই তাই শুষ্ক মাঠে আমন চাষ সম্ভব হচ্ছে না।

পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় দাকোপের প্রধান প্রধান নদী শিবসা, ভদ্রা, পশুর, ঢাকি,ঝপঝপিয়া ও চুনকুড়ি নদীর পানিতে রয়েছে প্রচুর লবন। সেকারণে মাঠে নদীর পানি প্রবেশ করিয়েও আমন ধানের চাষ করা সম্ভব হচ্ছে না। এদিকে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায় গতবার ১৮ হাজার ৯শত হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছিল এবারের লক্ষ্যমাত্রাও একই রয়েছে।

কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের আমন চাষি শ্যামাপদ জোয়াদ্দার, সুনিল মন্ডল, জব্বর আলী লস্কর যুগান্তরকে জানান, অন্য বছর আষাঢ়ের মধ্যে আমরা আমন ধানের পাতা তৈরী করে ফেলি এবং শ্রাবনে রোপন করি কিন্তু এবার সময়মত বৃষ্টি না হওয়ায় এক বিঘা জমিও চাষ করতে পারেনি। খুব দুশ্চিন্তায় আছি , অতি শিঘ্র ভারি বৃষ্টি না হলে আমন ধান চাষে অনেক বিলম্ব হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদি হাসান খান বলেন, বৃষ্টি সময়মত না হওয়ায় আমন চাষে একটু বিলম্ব হচ্ছে কিন্তু দুশ্চিন্তার কারণ নেই। বিলম্বে লাগানোর জন্য আমন ধানের বিশেষ জাত রয়েছে সেগুলি রোপন করলে তেমন কোনো সমস্যা হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)
Hwowlljksf788wf-Iu