ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চৈত্রের শুরুতেই কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড কালিনগরের মহানামযজ্ঞ; লক্ষাধীক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
গতকাল রবিবার ১৭ মার্চ সন্ধ্যায় খুলনার দাকোপ উপজেলার কামারখোলা ইউনিয়নের কালিনগর সার্বজনীন রাধা গবিন্দ মন্দিরে অনুষ্ঠিত ১৬ প্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানের প্রথম দিনে কাল বৈশাখী ঝড়ে লণ্ড ভণ্ড হয়ে লক্ষাধীক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়।

গত ১৬ই মার্চ শনিবার বিশ্ব শান্তি কামনার প্রয়াসে অধিবাস, মঙ্গল ঘট স্থাপন ও ভাগবত আলোচনার মধ্যদিয়ে শুরু হয় ১৬ প্রহর ব্যাপী এক অখণ্ড মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান। ১৭ ও ১৮ মার্চ অখণ্ড মহানাম সংকীর্তন, ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ ও ১৯ মার্চ প্রত্যুষে নাম ভঙ্গ, নগর কীর্তন, প্রসাদ বিতরণ এবং সন্ধ্যায় পদাবলী কীর্তনের মাধ্যমে যজ্ঞানুষ্ঠানের সমাপ্তি হওয়ার অনুষ্ঠান সূচি পাওয়া যায়।

কমিটির সদস্যদের ভাষ্য মতে, গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় যখন হাজার হজার ভক্তের আগমনে যজ্ঞ প্রাঙ্গণ মূখরিত, ভক্তদের মাঝে বিতরণের জন্য ১০ থেকে ১২ ডেক প্রসাদ প্রস্তুত ঠিক তখন শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড় ও বজ্র সহ বৃষ্টি। কয়েক ২০/২৫ মিনিটের ঝড়ে উড়ে যায় প্যাণ্ডেল, আনন্দ বাজারের ছাউনি, মেলা প্রাঙ্গনের প্রায় সব কয়টি দোকান ও বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যায় ভক্তদের জন্য প্রস্তুতকৃত সমস্ত প্রসাদ।

আজ সোম বার ভোর বেলা থেকে কমিটির সদস্য ও ৩০/৩৫ জনের স্বেচ্ছা সেবক দলের চেষ্টায় প্যাণ্ডেল মেরামত ও অনান্য সব কিছুর স্বাভাবিক পরিবেশ অনেকাংশেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে মুঠোফোনে জানান যজ্ঞ কমিটির সভাপতি দেবাশীষ রায়। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে পূর্বের ন্যায় হাজার হাজার ভক্ত সমাগমের মধ্যদিয়ে যজ্ঞানুষ্ঠানের সূচি অনুসারে সফল সমাপ্তী হওয়ার আশাবাদ ব্যাক্ত করে সকলের কাছে সহযোগীতা ও আশির্বাদ কামনা করলেন তিনি।

Tag :
About Author Information

বাংলার দিনকাল

Editor and publisher

চৈত্রের শুরুতেই কাল বৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড কালিনগরের মহানামযজ্ঞ; লক্ষাধীক টাকার ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশিত সময় ০৭:৩১:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মার্চ ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :
গতকাল রবিবার ১৭ মার্চ সন্ধ্যায় খুলনার দাকোপ উপজেলার কামারখোলা ইউনিয়নের কালিনগর সার্বজনীন রাধা গবিন্দ মন্দিরে অনুষ্ঠিত ১৬ প্রহরব্যাপী মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠানের প্রথম দিনে কাল বৈশাখী ঝড়ে লণ্ড ভণ্ড হয়ে লক্ষাধীক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়।

গত ১৬ই মার্চ শনিবার বিশ্ব শান্তি কামনার প্রয়াসে অধিবাস, মঙ্গল ঘট স্থাপন ও ভাগবত আলোচনার মধ্যদিয়ে শুরু হয় ১৬ প্রহর ব্যাপী এক অখণ্ড মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান। ১৭ ও ১৮ মার্চ অখণ্ড মহানাম সংকীর্তন, ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ ও ১৯ মার্চ প্রত্যুষে নাম ভঙ্গ, নগর কীর্তন, প্রসাদ বিতরণ এবং সন্ধ্যায় পদাবলী কীর্তনের মাধ্যমে যজ্ঞানুষ্ঠানের সমাপ্তি হওয়ার অনুষ্ঠান সূচি পাওয়া যায়।

কমিটির সদস্যদের ভাষ্য মতে, গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় যখন হাজার হজার ভক্তের আগমনে যজ্ঞ প্রাঙ্গণ মূখরিত, ভক্তদের মাঝে বিতরণের জন্য ১০ থেকে ১২ ডেক প্রসাদ প্রস্তুত ঠিক তখন শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড় ও বজ্র সহ বৃষ্টি। কয়েক ২০/২৫ মিনিটের ঝড়ে উড়ে যায় প্যাণ্ডেল, আনন্দ বাজারের ছাউনি, মেলা প্রাঙ্গনের প্রায় সব কয়টি দোকান ও বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যায় ভক্তদের জন্য প্রস্তুতকৃত সমস্ত প্রসাদ।

আজ সোম বার ভোর বেলা থেকে কমিটির সদস্য ও ৩০/৩৫ জনের স্বেচ্ছা সেবক দলের চেষ্টায় প্যাণ্ডেল মেরামত ও অনান্য সব কিছুর স্বাভাবিক পরিবেশ অনেকাংশেই ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে মুঠোফোনে জানান যজ্ঞ কমিটির সভাপতি দেবাশীষ রায়। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলে পূর্বের ন্যায় হাজার হাজার ভক্ত সমাগমের মধ্যদিয়ে যজ্ঞানুষ্ঠানের সূচি অনুসারে সফল সমাপ্তী হওয়ার আশাবাদ ব্যাক্ত করে সকলের কাছে সহযোগীতা ও আশির্বাদ কামনা করলেন তিনি।