ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

৪ কোটি যুবক বেকার রেখে ও গণতন্ত্র নস্যাৎ করে প্রকৃত উন্নয়ন অসম্ভব; জেলা যুব ইউনিয়ন সম্মেলনে বক্তারা

খবর বিজ্ঞপ্তি :

বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা কমিটির একাদশ সম্মেলনের উদ্বোধন ২৩ মার্চ (শনিবার) বেলা ১১টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলন উদ্বোধন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আদনান রিয়াদ এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার।

পরবর্তীতে একই স্থানে উদ্বোধনী সমাবেশ ও নগরীতে র‌্যালী বের করা হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এড. নিত্যানন্দ ঢালীর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন যুব ইউনিয়ন নেতা শেখ মোঃ আব্দুল হালিম, মিহির সরকার, এ্যাড. খান আজরফ হোসেন মামুন, ধীমান বিশ্বাস, তুষার বর্মণ, জয়ন্ত মুখার্জী, জামসিদ হাসান জিকু, এড, আরিফা খাতুন, জামাল হোসেন, বাদল রায়, বাবুল শরীফ বাবু, আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ও সম্মেলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন সাবেক যুব ইউনিয়ন নেতা সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, অরুণা চৌধুরী, খুলনা মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, সাবেক যুব ইউনিয়ন নেতা মহেন্দ্র নাথ সেন, মিজানুর রহমান বাবু, নিতাই পাল, কিংশুক রায়, এড. সুব্রত কুণ্ডু, মাহবুবুল আলম বুলবুল, ভূষণ চন্দ্র সরকার তরুণ, আফজাল হোসেন রাজু, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা উত্তম রায়, সৌরভ সমাদ্দার, সৌমিত্র সৌরভ প্রমুখ। পরবর্তীতে সিপিবি জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে সংগঠনের কাউন্সিল অধিবেশন শুরু হয়।

সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আদনান রিয়াদ বলেন, দেশে ৪ কোটি যুবক বেকার রেখে এবং একতরফা নির্বাচন ও একনায়কতান্ত্রিক সরকার পরিচালনার মাধ্যমে গণতন্ত্র নস্যাৎ করে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। একদিকে কলকারখানা বন্ধ করে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। অন্যদিকে চাকরিতে ঘুষ গ্রহণ ও আত্মীয়করণ-দলীয়করণের মাধ্যমে অযোগ্যদের পদায়ন করে একটি অথর্ব প্রশাসন ব্যবস্থা কায়েম করা হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে বেকারত্বের শিকার হচ্ছে মেধাবী শিক্ষিত যুবকরা। গুটি কয়েক সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়িয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে স্বল্প আয়ের-বেকার মানুষদের যাতাকলে পিষ্ট করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি দলের ক্যাডার, ঠিকাদার, কমিশনভোগীরা অবাধে লুটপাট করে অর্থ বিদেশে পাচার করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করছে। বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। সম্মেলনে বক্তারা বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান।

Tag :
About Author Information

বাংলার দিনকাল

Editor and publisher
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

৪ কোটি যুবক বেকার রেখে ও গণতন্ত্র নস্যাৎ করে প্রকৃত উন্নয়ন অসম্ভব; জেলা যুব ইউনিয়ন সম্মেলনে বক্তারা

প্রকাশিত সময় ০৮:০৬:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯

খবর বিজ্ঞপ্তি :

বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা কমিটির একাদশ সম্মেলনের উদ্বোধন ২৩ মার্চ (শনিবার) বেলা ১১টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সম্মেলন উদ্বোধন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আদনান রিয়াদ এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদার।

পরবর্তীতে একই স্থানে উদ্বোধনী সমাবেশ ও নগরীতে র‌্যালী বের করা হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি এ্যাড. মোঃ বাবুল হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এড. নিত্যানন্দ ঢালীর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তৃতা করেন যুব ইউনিয়ন নেতা শেখ মোঃ আব্দুল হালিম, মিহির সরকার, এ্যাড. খান আজরফ হোসেন মামুন, ধীমান বিশ্বাস, তুষার বর্মণ, জয়ন্ত মুখার্জী, জামসিদ হাসান জিকু, এড, আরিফা খাতুন, জামাল হোসেন, বাদল রায়, বাবুল শরীফ বাবু, আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ও সম্মেলনের সাথে সংহতি প্রকাশ করেন সাবেক যুব ইউনিয়ন নেতা সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, অরুণা চৌধুরী, খুলনা মহানগর সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, সাবেক যুব ইউনিয়ন নেতা মহেন্দ্র নাথ সেন, মিজানুর রহমান বাবু, নিতাই পাল, কিংশুক রায়, এড. সুব্রত কুণ্ডু, মাহবুবুল আলম বুলবুল, ভূষণ চন্দ্র সরকার তরুণ, আফজাল হোসেন রাজু, ছাত্র ইউনিয়ন নেতা উত্তম রায়, সৌরভ সমাদ্দার, সৌমিত্র সৌরভ প্রমুখ। পরবর্তীতে সিপিবি জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে সংগঠনের কাউন্সিল অধিবেশন শুরু হয়।

সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আদনান রিয়াদ বলেন, দেশে ৪ কোটি যুবক বেকার রেখে এবং একতরফা নির্বাচন ও একনায়কতান্ত্রিক সরকার পরিচালনার মাধ্যমে গণতন্ত্র নস্যাৎ করে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। একদিকে কলকারখানা বন্ধ করে বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। অন্যদিকে চাকরিতে ঘুষ গ্রহণ ও আত্মীয়করণ-দলীয়করণের মাধ্যমে অযোগ্যদের পদায়ন করে একটি অথর্ব প্রশাসন ব্যবস্থা কায়েম করা হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে বেকারত্বের শিকার হচ্ছে মেধাবী শিক্ষিত যুবকরা। গুটি কয়েক সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়িয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে স্বল্প আয়ের-বেকার মানুষদের যাতাকলে পিষ্ট করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি দলের ক্যাডার, ঠিকাদার, কমিশনভোগীরা অবাধে লুটপাট করে অর্থ বিদেশে পাচার করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করছে। বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। সম্মেলনে বক্তারা বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান।