শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে হেলমেটধারীরা সমাবেশে হামলা চালায় : বিএনপি নেতৃবৃন্দ খুলনায় দুইস্থানে আওয়ামীলীগ-বিএনপির সভা আহবান, পুলিশের নিষেধাজ্ঞা জারি খুলনা জেলা পরিষদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিএনপির কর্মীসভায় হামলা-ভাংচুর, শতাধিক নেতাকর্মী আহত তোরখাদায় যুবলীগের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালন দাকোপে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে রাজাকার অতিথি, মুক্তিযোদ্ধাদের অনুষ্ঠান বর্জন দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার পৃষ্ঠপোষকদের ফাঁসি দিতে হবে আওয়ামীলীগ তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল প্লাস্টিক দূষণ রোধকল্পে টেকসই ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য : ড. মুহাম্মদ আলমগীর

সরকার ও বিত্তবানদের সাহায্যে বাঁচতে চায় তারা

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৪৬ পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালি ইউনিয়নের খাটাইল গ্রামের শিবপদ মণ্ডল (৩৯)। জন্মের তিন বছর পর তার শরীরে টিউমারের চিহ্নি দেখা দেয়। অর্থের অভাবে স্থানীয় হোমিও প্যাথিক চিকিৎসকের নিকট থেকে চিকিৎসা নিয়ে এসএসসি পরিক্ষায় অংশ নেন তিনি।
পরিবারে অভাব থাকায় লেখাপড়া না করে সংসার জীবনে চলে যান তিনি। বিয়ের পর স্ত্রী রিতা মণ্ডলের গর্ভে সেজ্যোতি মণ্ডল নামে তাঁদের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। জন্মের চার থেকে পাঁচ মাস বয়সে সেজ্যোতির কোমরে বাবার মত একই অবস্থা দেখা দেয়। সে এখন পঞ্চম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। এরপর ওই দম্পতি আরও একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। তাঁর নাম রেখেছে সেতু মণ্ডল (৮)। সেতুর জন্মের দুই মাস পর সেও একই রোগে আক্রান্ত হয়। নিউরোফাইট্রোমেটাসিস নামক রোগটি এখন তাঁদের সর্বাঙ্গ জুড়ে ফেলেছে।
পাঁচ সদস্যের অতি দরিদ্র পরিবারের পিতা ও দুই সন্তান একই দূরারোগ্য ব্যাধীতে আক্রান্ত হয়ে এখন মৃত্যু পথযাত্রী। টাকার অভাবে বিনাচিকিৎসায় প্রতিবন্ধী হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে তারা। জীবন বাঁচাতে তারা সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন।
শিবপদ মন্ডল জানান, তিন বছর বয়সে পিঠে টিউমারের মতো দেখা দেয়। ধীরে ধীরে ক্ষতটি বড় হওয়ায় স্থানীয় চিকিৎসকের সেবায় সুফল না পেয়ে ভারতের কলকাতার আর্জিকল হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর সেখানে চিকিৎসা নিয়ে সর্বশেষ কলকাতার পি ব্যানার্জির হোমিও চিকিৎসা নিয়ে ভাল না হওয়ায় হতাশ হয়ে দেশে আসি। এরমধ্যে তার স্ত্রী দুই সন্তানের এমন অবস্থা দেখে পরিবার ছেড়ে তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। তিনি আরও জানান, বর্তমানে সারা শরীরের টিউমারগুলো মাঝেমধ্যে নদীর ঢেউয়ের মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়। শরীরের সমস্ত শিরা কষে আসে। সঠিকভাবে চলাফেরাও করতে পারছি না। লাঠিতে ভর দিয়ে অনেক কষ্টে চলতে হয়। একই অবস্থা দেখা দিয়েছে তার ওই দুই সন্তানের শরীরে।
শিবপদ মণ্ডলের বৃদ্ধ বাবা ঠাকুর দাস মণ্ডল বলেন, সহায় সম্পত্তি বলতে ভিটেবাড়ী ছাড়া আর কিছুই নাই। যেটুকু ছিল তাই দিয়ে ও ধারদেনা করে এ পর্যন্ত তাদের চিকিৎসা চালিয়ে আসছি। এখন আমার বয়স হওয়ায় ভ্যানগাড়ি চালিয়ে ঠিকমত রোজগার না করতে পেরে পরিবারের ব্যয়বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাছাড়া তাদের চিকিৎসার জন্য আমার কাছে আর কিছু নেই। এখন তারা অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় ঘরে পড়ে আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক জানান, শিবপদ নিউরোফাইট্রোমেটাসিস রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাকে খুলনা শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগে রেফার করা হয়েছে। এ রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী হওয়ায় অনেক টাকার প্রয়োজন হয়ে পড়বে।
সাহায্য করতে চাইলে ০১৯৬২৮৬৫১৭০ মোবাইল নম্বরে (বিকাশ) অসহায় পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu