শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিএনপিকে রাজপথে শক্ত হাতে মোকাবেলা করা হবে লেখাপড়ার সাথে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা একান্ত প্রয়োজন -সিটি মেয়র কলাপাড়ায় ২০ কেজি মাংসসহ দুই হরিন শিকারী আটক তেরখাদায় জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মফিজুর রহমানের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান: তেরখাদায় এমপি আব্দুস সালাম মূর্শেদী মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক স্থাপনা নির্মাণে প্রধান শিক্ষকের চক্রান্ত ! চট্টগ্রামের হটহাজারীতে মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর মামলার আসামীর কারাগারে মৃত্যু পতাকাসহ পাকিস্তান দলকে দেশে ফেরত পাঠানো উচিত : তথ্যপ্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ ভবদহের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে ভুক্তভোগীদের অবস্থান কর্মসূচি পালন করোনাকালীন এক লাখ ৩৫ হাজার শ্রমিককে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র

সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের বক্তব্য

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ১০ জুন, ২০১৯
  • ৩৬৯ পড়েছেন

তথ্যবিবরণী :
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গণভবনে আমন্ত্রণ জানিয়ে টেলিফোন করেছিলেন। টেলিফোনে বেগম জিয়া যে ভাষায় কথা বলেছেন, সেটি সমস্ত শিষ্টাচার বহির্ভূত। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, তিনি এমন একটি দলের মহাসচিব যে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র আরাফাত রহমানের মৃত্যুর খবর পেয়ে সহমর্মিতা জানানোর জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাড়ির সামনে ১৫-২০ মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলেন কিন্তু তিনি দরজা খোলেননি। কোনো শত্রুও যদি মৃত্যুর খবর পেয়ে সহমর্মিতা জানানোর জন্য কারো বাড়িতে হাজির হয় তাহলে এ ধরণের আচরণ করতে পারেন না।

তিনি প্রশ্ন করেন, এটি বেগম খালেদা জিয়ার কি ধরণের শিষ্টাচার? যে দলের চেয়ারপারসনের শিষ্টাচার সম্পর্কে নূন্যতম জ্ঞান নেই, সেই দলের মহাসচিব কিভাবে শিষ্টাচার নিয়ে কথা বলে। বিএনপির মহাসচিবের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শিষ্টাচার বিএনপির কাছ থেকে আওয়ামী লীগকে শিখতে হবে না, বরং বিএনপিকেই শিখতে হবে এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শিখাতে হবে।

মন্ত্রী আজ মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণভবনে সংবাদ সম্মেলনের পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি’র রাজনৈতিক দৈন্যদশা এমন পর্যায়ে গেছে একজন সন্ত্রাসের দায়ে যাবজীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী তারেক রহমান তাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ দলেরই মহাসচিব। এটি বিএনপির জন্য প্রচন্ড লজ্জাস্কর।

মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে কোনো সাজা প্রাপ্ত আসামীর সাজা কার্যকর করা। এটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারেক রহমান দুর্নীতি মামলায় ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা যাবজীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত। ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে গুরুতর আহত হয়েছিলেন, তাঁর শ্রবণশক্তি লোপ পেয়েছিল। চক্রান্ত করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার এবং আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য। সেই মামলা তারেক রহমান যাবজীবন দÐপ্রাপ্ত আসামী। কারো বিরুদ্ধে আদালত যদি দন্ড দেয়, সে যেই হোক, হোক সরকারি কর্মকর্তা, এমনকি সরকার দলীয় কোনো এমপিও যদি হন, তার বিরুদ্ধে শাস্তি কার্যকর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাংলাদেশের আদালত স্বাধীন। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তি কার্যকর করা হবে রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তথ্যমন্ত্রী বলেন, একদিন তারেক রহমানের বিচার কার্যকর হবে।

ঐক্যফ্রন্টের ঐক্য ফেরাতে জোটের শীর্ষ নেতাদের আজকের বৈঠক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ঐক্যফ্রন্টের অবস্থা দেখে আমার হাসি পায়। তারা বারবার বলে আসছেন যে, বৃহৎ ঐক্য, জাতীয় ঐক্য, ফ্রন্টের নাম ঐক্যফ্রন্ট। কিন্তু এই জোটের মধ্যে কোনো ঐক্য নেই। কিছু কিছু নেতা ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার ঘোষণাও দিয়েছেন। যারা নিজেদের ঐক্য ধরে রাখতে পারে না, নিজেদের ঐক্য ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে, ঐক্যফ্রন্টের ঐক্য ধরে রাখার জন্য তাদেরকে বৈঠক করতে হচ্ছে এবং তাদের যে আন্দোলনের ঘোষণা, সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর ঐক্য, এগুলো সব হাস্যকর। আজকের বৈঠকের মাধ্যমে তাদের নিজেদের যে ঐক্য নেই তারা সেটা স্পষ্ট করেছে।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শপথ নিয়েই এই সংসদ অবৈধ বলে তিনিও একজন অবৈধ সংসদ সদস্য প্রমাণ করেছেন। বিএনপি প্রথমে বলেছিল কোনো অবস্থাতেই তারা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন না। পরে বিএনপি শপথ গ্রহণ করেছেন, এমনকি নারী সংসদ সদস্যের ভাগটাও তারা নিলেন। এ থেকে প্রমাণিত হয় বিএনপির কাজ ও কথার মধ্যে সবসময় বৈপরীত্য।

সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার শুরুতে মন্ত্রী দেশবাসীসহ উপস্থিত সাংবাদিকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। যার যার ধর্ম সে সে পালন করে, কিন্তু উৎসব সবার। দেশের মানুষ সবাই আনন্দের সাথে ঈদ উদ্যাপন করেছেন। এই উৎসবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই সামিল হয়। আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক দেশে বসবাস করছি। সবসময় সব উৎসবে সব ধর্মের মানুষ সামিল হয়, এবারও তাই হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)
Hwowlljksf788wf-Iu