ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন ভাষা সৈনিক শহীদ এমএ গফুর

  • সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় ০৪:০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
  • ৫৪৯ পড়েছেন

প্রতিনিধি, পাইকগাছা :
অবশেষে মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন ভাষা সৈনিক শহীদ এমএ গফুর। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর খুলনার পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ এমএ গফুরকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করবেন।

উল্লেখ্য, শহীদ এমএ গফুর তৎকালীন উপজেলার হরিনগর গ্রামের মৃত জনাব আলী সানা ও মৃত সোনাবান বিবির ছেলে। তিনি ১৩৩২ বঙ্গাব্দের ২৬ বৈশাখ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের খুলনা জেলা কমিটির আহবায়ক ছিলেন তিনি। ১৯৭০ সালে পাইকগাছা-আশাশুনি নির্বাচনী এলাকা থেকে এমএনএ নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ৯নং সেক্টরের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সহোচর ছিলেন। ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে থেকে ওয়াপদার ভেঁড়ি বাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। তিনি ১৯৭২ সালের ৬জুন আঁততীয়দের গুলিতে নিহত হন।

ভাষা আন্দোলনের ৬৭বছর এবং স্বাধীনতার ৪৬ বছর শহীদ এমএ গফুর অনেকটাই উপেক্ষিত ছিলেন। ১৩ফেব্রুয়ারি উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তুতি সভায় শহীদ এমএ গফুর স্মৃতি সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ও পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আব্দুল আজিজ শহীদ এমএ গফুরকে ২১ফেব্রুয়ারি মরণোত্তর সম্মাননা প্রদানের প্রস্তাব করলে সভায় প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।

অবশেষে বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহোচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও ভাষা সৈনিক শহীদ এমএ গফুরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদানের মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করায় উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সম বাবর আলী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়নাকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

Tag :
About Author Information

বাংলার দিনকাল

Editor and publisher

মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন ভাষা সৈনিক শহীদ এমএ গফুর

প্রকাশিত সময় ০৪:০৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

প্রতিনিধি, পাইকগাছা :
অবশেষে মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন ভাষা সৈনিক শহীদ এমএ গফুর। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর খুলনার পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ এমএ গফুরকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করবেন।

উল্লেখ্য, শহীদ এমএ গফুর তৎকালীন উপজেলার হরিনগর গ্রামের মৃত জনাব আলী সানা ও মৃত সোনাবান বিবির ছেলে। তিনি ১৩৩২ বঙ্গাব্দের ২৬ বৈশাখ জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের খুলনা জেলা কমিটির আহবায়ক ছিলেন তিনি। ১৯৭০ সালে পাইকগাছা-আশাশুনি নির্বাচনী এলাকা থেকে এমএনএ নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ৯নং সেক্টরের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একান্ত সহোচর ছিলেন। ১৯৭২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে থেকে ওয়াপদার ভেঁড়ি বাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। তিনি ১৯৭২ সালের ৬জুন আঁততীয়দের গুলিতে নিহত হন।

ভাষা আন্দোলনের ৬৭বছর এবং স্বাধীনতার ৪৬ বছর শহীদ এমএ গফুর অনেকটাই উপেক্ষিত ছিলেন। ১৩ফেব্রুয়ারি উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রস্তুতি সভায় শহীদ এমএ গফুর স্মৃতি সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ও পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আব্দুল আজিজ শহীদ এমএ গফুরকে ২১ফেব্রুয়ারি মরণোত্তর সম্মাননা প্রদানের প্রস্তাব করলে সভায় প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।

অবশেষে বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহোচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও ভাষা সৈনিক শহীদ এমএ গফুরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদানের মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করায় উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সম বাবর আলী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলিয়া সুকায়নাকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।