শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে হেলমেটধারীরা সমাবেশে হামলা চালায় : বিএনপি নেতৃবৃন্দ খুলনায় দুইস্থানে আওয়ামীলীগ-বিএনপির সভা আহবান, পুলিশের নিষেধাজ্ঞা জারি খুলনা জেলা পরিষদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিএনপির কর্মীসভায় হামলা-ভাংচুর, শতাধিক নেতাকর্মী আহত তোরখাদায় যুবলীগের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালন দাকোপে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে রাজাকার অতিথি, মুক্তিযোদ্ধাদের অনুষ্ঠান বর্জন দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার পৃষ্ঠপোষকদের ফাঁসি দিতে হবে আওয়ামীলীগ তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল প্লাস্টিক দূষণ রোধকল্পে টেকসই ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য : ড. মুহাম্মদ আলমগীর

পাইকগাছায় সহায়তা পাননি কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থরা : অনেক পরিবারের খোলা আকাশের নিচে বসবাস

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৯
  • ৫৭৬ পড়েছেন

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি :
পাইকগাছায় কালবৈশাখী ঝড়ের তিনদিন অতিবাহিত হলেও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ কোন পরিবার এখনও কোন সরকারি কোন সহায়তা পায়নি। এমনকি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর এলাকার কোন জনপ্রতিনিধি খোঁজ নেয়নি। ক্ষতিগ্রস্থ অনেক পরিবার বাস করছে খোলা আকাশের নিচে।

সূত্র মতে, চলতি মৌসুমে একের পর এক আঘাত হানছে কালবৈশাখী ঝড়। এমন কোন সপ্তাহ নেই যে সপ্তাহে কালবৈশাখী আঘাত হানছে না। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিলা বৃষ্টি সহ কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে এলাকায়। এ বছর যে ক’টি কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হেনেছে মঙ্গলবারের ঝড়ের গতি ছিল অনেক বেশি। উপজেলার প্রায় সবখানেই লন্ডভন্ড করে দেয় কালবৈশাখী। ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় চাঁদখালী ইউনিয়ন। ইউনিয়নের ওড়াবুনিয়া, ফেদুয়ারাবাদ, ঢেমশাখালী, গড়েরআবাদ, কৈয়াসিটিবুনিয়া, গজালিয়া, পূর্ব গজালিয়া, বাদুড়িয়া, দেবদুয়ার, কৃষ্ণনগর, সাহাপাড়া, মৌখালী, কমলাপুর, ধামরাইল, ফতেপুর, চাঁদখালী, কানুয়ারডাঙ্গা, কাটাখালী বাজার ও মালোপাড়া সহ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মাটি ও টিন সেডের ঘর। বেশির ভাগ মাটি ও টিনের ঘরের চাল ঝড়ে উড়ে যায়। এতে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হন এলাকার দরিদ্র পরিবার। আশ্রায়ন প্রকল্প সহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ঝড়ের তিনদিন অতিবাহিত হলেও শুক্রবার পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো একদিকে সরকারিভাবে কোন সহায়তা পাননি। অপরদিকে, কোন জনপ্রতিনিধি তাদের খোঁজ নেয়নি বলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো দরিদ্র শ্রেণীর হওয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ঘর এখনও মেরামত করে পারেননি। ফলে তারা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। ওড়াবুনিয়ার আরতি সানা ও পূর্ব গজালিয়া গ্রামের শামছুর রহমান গাজী জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে বসত ঘরের চাল উড়ে গিয়ে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। যা এখনও অর্থাভাবে মেরামত করতে পারেনি। কৈয়াসিটিবুনিয়া গ্রামের তনজিলা বেগম (৬০) জানান, তিনদিন হলো এখনও আমরা কোন সহায়তা পায়নি। এমনকি, আমাদের খোঁজ নিতেও কেউ আসেনি। আব্দুল্লাহ গাজী জানান, পরিবার পরিজন নিয়ে গত তিনদিন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি। আওয়ামীলীগনেতা জি,এম, ইকরামুল ইসলাম জানান, আমি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার অনেক স্থানে গিয়েছি।

এবারের কালবৈশাখী ঝড়ে যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। অসংখ্য পরিবার এখনও ক্ষতিগ্রস্থ ঘর মেরামত করতে পারেনি। এসব দরিদ্র পরিবারের জন্য টিন ও অন্যান্য সামগ্রী সহ সরকারি সাহায্য জরুরী প্রয়োজন।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu