ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দরিদ্রবান্ধব নগর উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় ০৭:২৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯
  • ৪২১ পড়েছেন

তথ্যবিবরণী :
দরিদ্রবান্ধব নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশীজনের মতামত সম্পর্কিত কর্মশালা বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) খুলনার সিটি ইন হোটেল সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি সিটি কর্পোরেশন, পাওয়ার এন্ড পার্টিসিপেশন রিসার্স সেন্টার (পিপিআরসি), আইপিইগ্লোবাল এর যৌথ আয়োজনে এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। সভাপতিত্ব করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং পিপিআরসি’র প্রধান নির্বাহী ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি মেয়র বলেন, বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নয়নে সিটি কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া খুলনার বিভিন্ন শিল্পকারখানাস্থলে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে শিল্পনগরী হিসেবে খুলনার পুরাতন ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনা হবে। এ সময় তিনি নারীদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য পৃথক বিক্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা খুলনা শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠী বিশেষত বস্তিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে উপযুক্ত কর্মসংস্থান এবং বাসযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, খুলনা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ এলাকা। এই জেলার উপকূলীয় জনগণ সিডর আইলার মত ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর শহরমুখী হচ্ছে। একদিকে নগরীতে এসব বানভাসী মানুষের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি বস্তিগুলোতে আশ্রয় নিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। দরিদ্র পীড়িত এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে কখনই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়।

সভাপতি হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, পদ্মা ব্রীজের সুফলভোগ করার জন্য এ অঞ্চলের প্রস্ততি নিতে হবে। খুলনাঞ্চলে পড়ে থাকা অনেক অব্যবহৃত জমি কাজে লাগাতে হবে। পাটকে কেন্দ্র করে শিল্পনগরী হিসেবে খুলনার পুনর্জন্ম হতে পারে। তিনি নগর পরিকল্পনায় সুষম উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সিটি কর্পোরেশনের প্রতি আহবান জানান।

কর্মশালায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সকল কাউন্সিলর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

Tag :
About Author Information

বাংলার দিনকাল

Editor and publisher
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

দরিদ্রবান্ধব নগর উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত সময় ০৭:২৪:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ ২০১৯

তথ্যবিবরণী :
দরিদ্রবান্ধব নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় অংশীজনের মতামত সম্পর্কিত কর্মশালা বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) খুলনার সিটি ইন হোটেল সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা সিটি সিটি কর্পোরেশন, পাওয়ার এন্ড পার্টিসিপেশন রিসার্স সেন্টার (পিপিআরসি), আইপিইগ্লোবাল এর যৌথ আয়োজনে এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। সভাপতিত্ব করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং পিপিআরসি’র প্রধান নির্বাহী ড. হোসেন জিল্লুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি মেয়র বলেন, বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নয়নে সিটি কর্পোরেশন কাজ করে যাচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া খুলনার বিভিন্ন শিল্পকারখানাস্থলে নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে শিল্পনগরী হিসেবে খুলনার পুরাতন ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনা হবে। এ সময় তিনি নারীদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির জন্য পৃথক বিক্রয়কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা খুলনা শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠী বিশেষত বস্তিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে উপযুক্ত কর্মসংস্থান এবং বাসযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, খুলনা একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ এলাকা। এই জেলার উপকূলীয় জনগণ সিডর আইলার মত ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসে আক্রান্ত হয়ে প্রতিবছর শহরমুখী হচ্ছে। একদিকে নগরীতে এসব বানভাসী মানুষের সংখ্যা যেমন বাড়ছে তেমনি বস্তিগুলোতে আশ্রয় নিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। দরিদ্র পীড়িত এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে কখনই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়।

সভাপতি হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, পদ্মা ব্রীজের সুফলভোগ করার জন্য এ অঞ্চলের প্রস্ততি নিতে হবে। খুলনাঞ্চলে পড়ে থাকা অনেক অব্যবহৃত জমি কাজে লাগাতে হবে। পাটকে কেন্দ্র করে শিল্পনগরী হিসেবে খুলনার পুনর্জন্ম হতে পারে। তিনি নগর পরিকল্পনায় সুষম উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সিটি কর্পোরেশনের প্রতি আহবান জানান।

কর্মশালায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সকল কাউন্সিলর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, ব্যবসায়ী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।