মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিশেষ নিবন্ধ : শ্রাবনের চরিত্রহনণ বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠার পেছনের অনুপ্রেরণা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বাংলাদেশ-ভারত আমদানি-রফতানি চুক্তির প্রথম ট্রায়ালের পণ্য মোংলায় খালাস : মেঘালয় ও আসামের উদ্দেশ্যে যাত্রা নির্বাচন আসলেই এদেশের কিছু ধান্দাবাজ একত্রিত হয় : তালুকদার খালেক দেশে রিজার্ভ নেই-একদিন দেখবেন শেখ হাসিনাও মসনদে নেই : বিএনপি বঙ্গমাতার গুণাবলী ধারণ করে মেয়েদের এগিয়ে যেতে হবে : খুবি উপাচার্য বঙ্গবন্ধুর বাঙালির মুক্তির মহানায়ক হয়ে ওঠার পেছনে প্রেরণা ছিলেন  বঙ্গমাতা : সিটি মেয়র বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতির কান্ডারি ও রাজনীতির কবি : এসডিএফ চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বাংলাদেশ-ভারত ট্রানজিট চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ট্রায়াল জাহাজ মোংলা বন্দরে’ খুলনায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে দু:স্থ্যদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন

চলতি বছরেই খুলনাতে হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শুরু হবে -তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ২৩ মার্চ, ২০১৯
  • ৪৯৬ পড়েছেন

তথ্যবিবরণী :

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউর আলম চলতি বছরেই খুলনাতে হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি আজ (শনিবার) সকালে খুলনা সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে শিক্ষিত তরুণ-তরুণী ও যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে গ্রহীত ক্যাপাসিটি বিল্ডিং শীর্ষক প্রকল্পের উপকারভোগীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই প্রতিশ্রুতি দেন।

খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি বলেন, খুলনা জেলা তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জন্য একটি সম্ভাবনাময় জায়গা। এই অঞ্চলের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার যে স্বপ্ন, তাকে বাস্তবে রূপ দিতে আধুনিক সকল সুযোগসুবিধা সমৃদ্ব করে এই হাইটেক পার্ক নির্মাণ করা হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে তরুণদেরকেই নেতৃত্ব দিতে হবে উল্লেখ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির নতুন নতুন উদ্ভাবনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রশিক্ষণের কোন বিকল্প নেই। তাবে কেবল প্রশিক্ষণ গ্রহণ করলেই চলবে না, সেই প্রশিক্ষণকে চর্চা করতে হবে। তিনি প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের ডাটাবেজ তৈরি করে তাদেরকে নিয়মিত মিনিটরিং করার জন্য খুলনা জেলা প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।

মতবিনিময় সভায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উপকারভোগীদের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণের সময় বৃদ্ধি এবং লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করার দাবী করা হয়।

উল্লেখ্য, খুলনা জেলা প্রশাসকের নিজস্ব উদ্যোগে বাস্তবায়িতব্য এই প্রকল্পে ফ্রি ল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সেলাইসহ কয়েকটি ট্রেডে দুই সপ্তাহ মেয়াদী ফ্রি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ পর্যন্ত মোট তিনশত ৬৫ জন শিক্ষিত তরুণ-তরুণী এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ ইউসুফ হারুন, বিএল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কেএম আলমগীর, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আছাদুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলমগীর কবির, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নার্গিস ফাতেমা জামিন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম হাবিব এবং খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu