শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খুলনার বৃক্ষমেলায় প্রায় ৪৯ লাখ টাকার  চারা বিক্রি রূপসায় চিংড়ির পঁচা মাথার গন্ধে মারাত্নক পরিবেশ দুষন, জনজীবন অতিষ্ঠ অবৈধ সরকার অর্থনীতিসহ সার্বিক পরিস্থিতিতে চলতি মাসও টিকে থাকতে পারবে না : বিএনপি রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুরি হওয়া মালামালসহ ০৪ চোর আটক রূপসায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার সময় হাতেনাতে আটক, ৭জনের কারাদন্ড জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা বিশ্বকে বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখিয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা : সিটি মেয়র শিক্ষকদের পাণ্ডিত্য, গবেষণা ও ব্যক্তিত্ব শিক্ষার্থীরা অনুসরণ করে কুয়েট ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন মেয়াদকাল শেষ রামপাল কলেজ শিক্ষকের অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি

একমাত্র শেখ হাসিনার সরকারের দ্বারাই সম্ভব গণহত্যার স্বীকৃতি পেতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন লাভ করা -কেসিসি মেয়র

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ২০ মে, ২০১৯
  • ৪৯১ পড়েছেন

খবর বিজ্ঞপ্তি :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। তিনি প্রধানমন্ত্রিত্ব চান নাই। ক্ষমতায় থাকার জন্য, প্রানমন্ত্রী হওয়ার জন্য রাজনীতি করেননি। প্রিয় মাতৃভূমিকে পাকিস্তানি শোষণ-বঞ্চনার হাত থেকে রক্ষা করে বাঙালিরা যেন বাংলাদেশের ভাগ্যনিয়ন্তা হতে পারে সেজন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতেই রাজনীতি করেছেন। জনগণের জন্যই ছিল তাঁর রাজনীতি ও কর্মসূচি। ৭১-এর ৭ই মার্চের ভাষণ আজ ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল’ হিসেবে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে আসীন। সেদিন তিনি একটি ভাষণের মধ্য দিয়ে সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে নিরস্ত্র বাঙালিকে সশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত করেছেন। সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে জাতীয় মুক্তির মোহনায় দাঁড় করিয়েছেন। পাকিস্তানি হানাদারদের করা গণহত্যার একক বৃহত্তম ঘটনা চুকনগর গণহত্যা দিবস ।

এই দেশে মুক্তিযুদ্ধে সরকার এবং বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে ২০১৭ সালের ১১মার্চ মহান জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস ঘোষণা করেছিলেন। তারপর থেকে প্রতি বছর সরকারিভাবে জাতীয় গণহত্যা দিবস পালন করা হচ্ছে। একমাত্র শেখ হাসিনার সরকারের দ্বারাই সম্ভব গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন লাভ করা । চুকনগর গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এসব কথা বলেন।

সোমবার ২০ মে সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনা মহানগরীর বিএমএ মিলনায়তনে ১৯৭১:গণহত্যা-নির্যাতন আর্কইভ ও জাদুঘর ট্রাষ্টের উদ্যোগে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে চুকনগরের গণহত্যা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাষ্টি সম্পাদক শেখ বাহারুল আলম। সঞ্চালনা ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদেও কমান্ডার অধ্যাপক আলমগীর কবীর, ট্রাষ্টি অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, হুমায়ুন কবির ববি, অধ্যক্ষ এ বিএম শফিকুল ইসলাম, অধ্যক্ষ ফ.ম আব্দুল সালাম, মফিদুল ইসলাম, রসু আক্তার, সাবেক ছাত্রনেতা শেখ আবু হানিফ ও সেইদিনের শিশুকন্যা সুন্দরী বালা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের গণহত্যা যদি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়, তাহলে ২০১০ সালে যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয়েছে, সে বিচারে কেবল স্থানীয়ভাবে যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচার হয়েছে, যারা মূল পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকারী সেই পাকিস্তানিদের আমরা বিচারের আওতায় আনতে পারব। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন দরকার। বিচার কিন্তু প্রতিশোধ থেকে নয়, বিচার চাওয়া হচ্ছে যেন আগামীতে এ ধরনের অন্যায় না হয় । এক বছর পর স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আমরা বিশ্বাস করি সকল ষড়যন্ত্র ভেঙ্গে এই সরকার গণহত্যার স্বীকৃতির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন লাভ করবে।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu