শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে হেলমেটধারীরা সমাবেশে হামলা চালায় : বিএনপি নেতৃবৃন্দ খুলনায় দুইস্থানে আওয়ামীলীগ-বিএনপির সভা আহবান, পুলিশের নিষেধাজ্ঞা জারি খুলনা জেলা পরিষদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিএনপির কর্মীসভায় হামলা-ভাংচুর, শতাধিক নেতাকর্মী আহত তোরখাদায় যুবলীগের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালন দাকোপে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে রাজাকার অতিথি, মুক্তিযোদ্ধাদের অনুষ্ঠান বর্জন দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার পৃষ্ঠপোষকদের ফাঁসি দিতে হবে আওয়ামীলীগ তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল প্লাস্টিক দূষণ রোধকল্পে টেকসই ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য : ড. মুহাম্মদ আলমগীর

বৃষ্টির দেখা নেই কয়রায়: দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৯
  • ৪৫৯ পড়েছেন

ওবায়দুল কবির(সম্রাট):

আষাঢ় মাস শেষ হতে চললো কিন্তু আশানুরূপ বৃষ্টি না হওয়ায় উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের সহস্রাধীক আমন চাষী দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। লবণ অধ্যুষিত সুন্দরবন উপকূলীয় কয়রা উপজেলার কৃষকেরা এ বছর রোপা আমন চাষাবাদ নিয়ে চরম হতাশায় ভুগছেন।

কৃষকেরা জানিয়েছেন, এলাকার নদ-নদীর পানি লবণাক্ত হওয়ায় তাদের চাষাবাদের একমাত্র ভরসা বৃষ্টির পানি। বিগত বছরগুলোয় মধ্য আষাঢ় নাগাদ বীজতলা তৈরীর কাজ শুরু করেন কৃষকরা। শ্রাবণের মাঝামাঝি সময়ে বীজতলা থেকে ধানপাতা তুলে নিয়ে  ক্ষেতে ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করেন তারা। কিন্তু এ বর্ষা মৌসুমে তার ব্যতিক্রম ঘটতে দেখা যাচ্ছে। মাঝে মধ্যে হালকা ছিটেফোটা বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু সে পানিতে খাল বিল ভরছে না। বিলের মাটি শুকনো থাকায় এখন পর্যন্ত কৃষক জমি চাষাবাদ শুরু করতে পারেনি। পানির অভাবে কেউ এখনো বীজতলা তৈরীর কাজও শুরু করতে পারেনি। ফলে রোপা আমনের চাষাবাদ নিয়ে রীতিমতো শংকিত তারা।

এদিকে উপজেলা সদর সহ ৭টি ইউনিয়নের বিসিআইসির ডিলার ও সাবডিলারদের দোকানগুলোয় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আমন বীজের বেচাবিক্রির পরিমান কম। কয়রা পুরাতন বাজারের সাব ডিলার মিলন কুমার মন্ডল জানায়, ‘‘বৃষ্টি কম তাই পানি সংকটের কারনে কৃষকরা বীজতলার জমি প্রস্তুত করতে পারছে না। জমি প্রস্তত করতে না পারায় বহু কৃষক বীজ কিনছে না। একদিকে ধানের মূল্য কম তাতে আবার সময়মতো বৃষ্টির দেখা নেই এ অবস্থায় টাকা পয়সা খরচ করে জমিজাগা চাষবাদ করতে অনেকের অনিহা।’’ কয়রা সদরের ৫নং কয়রা গ্রামের কৃষক রেজাউল করিম গাজী বলেন, ‘‘আষাঢ় মাস শেষ হতি গেল অথচ বৃষ্টি বাদলের দেখা নেই। কবে বৃষ্টির পড়বে সেই অপেক্ষায় আছি।’’ মহারাজপুর ইউনিয়নের কৃষক হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘‘পর্যাপ্ত পানির অভাবে আমনের বীজতলা তৈরী  করা সম্ভব হইনি। নদীর পানি আজও নোনা, কি করবো বুজদি পাত্তিচনে।’’

উপজেলা কৃষি অফিসার এসএম মিজান মাহমুদ বলেন, দেরীতে হলেও নিশ্চই আশানুরূপ বৃষ্টি হবে। সে সময় কৃষক তাদের জমিতে চাষাবাদ করে ধান রোপন করতে পারবে।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu