শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
খুলনার বৃক্ষমেলায় প্রায় ৪৯ লাখ টাকার  চারা বিক্রি রূপসায় চিংড়ির পঁচা মাথার গন্ধে মারাত্নক পরিবেশ দুষন, জনজীবন অতিষ্ঠ অবৈধ সরকার অর্থনীতিসহ সার্বিক পরিস্থিতিতে চলতি মাসও টিকে থাকতে পারবে না : বিএনপি রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুরি হওয়া মালামালসহ ০৪ চোর আটক রূপসায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার সময় হাতেনাতে আটক, ৭জনের কারাদন্ড জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা বিশ্বকে বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখিয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা : সিটি মেয়র শিক্ষকদের পাণ্ডিত্য, গবেষণা ও ব্যক্তিত্ব শিক্ষার্থীরা অনুসরণ করে কুয়েট ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন মেয়াদকাল শেষ রামপাল কলেজ শিক্ষকের অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি

ডুমুরিয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের কাছ থেকে সরকারি মুল্যে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২৯ মে, ২০১৯
  • ৫৪৭ পড়েছেন

ডুমুরিয়া(খুলনা)প্রতিনিধিঃ

ডুমুরিয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত মুল্যে ধান ক্রয় কার্যক্রমের শুভ উদ্ভোধন করা হয়েছে।

২৯ মে (বুধবার) সকালে উপজেলা চত্বরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহনাজ বেগম’র সভাপতিত্বে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার খুলনা বিভাগ খুলনার পরিচালক মোঃ হোসেন আলী খন্দকার বলেন, বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন। ভর্তুকি মুল্যে সার, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহর পাশা পাশি নগত আর্থিক সহায়তাও দিয়ে আসছে। চলতি বোরো মৌসুমে দেশে ব্যাপক ধান উৎপাদন হওয়ায় বাজারে ধানের মুল্যে বেশ কম। সঙ্গত কারনে ধান চাষীদের আর্থিক  ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংঙ্খা দেখা দিয়েছে। সরকারি গুদামে পর্যাপ্ত পরিমান ধান চাল মজুদ থাকা সত্বেও সরকার ধান চাষীদের আর্থিক ক্ষতির কথা বিবেচনা করে প্রতি কেজি ধান ২৬ টাকা কেজি দরে কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করি ধান চাষীরা এতে উপকৃত হবেন।

সভার সভাপতি ও ইউএনও শাহনাজ বেগম বলেন, ডুমুরিয়া উপজেলা হতে খাদ্য বিভাগ ৬৯১ টন ধান সংগ্রহের লক্ষ মাত্রা নির্ধারন করে দিয়েছে। এতে উপজেলার হাজার হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খুঁজে বের করে তাদের ধান ক্রয়ের জন্যে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে মাইকিং করে ধান বিক্রির জন্যে আগ্রহী চাষীদের নাম নিবন্ধন করার জন্যে ৭টি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সুপারিশে উপজেলার ১৯৭৪ জন চাষীর প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩৫০ কেজি করে ধান কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ২৯ মে (বুধবার) হতে উপজেলার খাদ্য গুদামে নিবন্ধিত চাষীরা তাদের স্লীপ দেখিয়ে ধান বিক্রি করতে পারবে। তবে ধান ক্রয়-বিক্রয়ে কোন রকম দূর্নীতি অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না বলে তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ইউসুপ আলী,জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ তানভীর রহমান,উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান খান,উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রন কর্মকর্তা সুজিত মুখার্জী, ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাড প্রতাপ রায় প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu