ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের দাবিতে জাতীয় কৃষক সমিতির স্মারকলিপি প্রদান

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় কৃষক সমিতি খুলনা জেলা কমিটির উদ্যোগে আজ বেলা ১১:৫৫ টায় খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় বর্তমান কৃষক সমাজ বোরো মৌসুমের ধান বিক্রয় করতে দারুণ বিড়ম্বনায় পড়েছে। উৎপাদিত ধান ব্যয়ের অর্ধেক মূল্যে বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। বীজ ক্রয় থেকে শুরু করে মোড়ায় তোলা পর্যন্ত কৃষকের মণ প্রতি খরচ হয় আটশত টাকার উপরে। অথচ বোরো ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০০-৫৫০ টাকায় এবং বালাম ধান ৬০০-৭০০ টাকায়। প্রতি বছর সরকার ঘোষিত নির্ধারিত মূল্য কাগজ-কলমেই থাকে। বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই।

এমতাবস্থায় সরকারি মনিটরিং-এর মাধ্যমে খোদ কৃষকের নিকট থেকে বেশি মূল্যে ধান ক্রয় করতে হবে। কৃষক যাতে হয়রাণির শিকার না হয় সেজন্য প্রতিটি ইউনিয়নের ধান ক্রয়কেন্দ্র থাকতে হবে। অপরদিকে দাকোপে ক্ষতিগ্রস্ত তরমুজ চাষিদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

এ সময়ে নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কৃষক সমিতির খুলনা জেলা ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি কৃষকনেতা গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, সাধারণ সম্পাদক গাজী নওশের আলী, সহ-সভাপতি শেখ সেলিম আখতার স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার সন্দীপন রায়, জেলা নেতা শেখ মফিদুল ইসলাম, এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, খান রেজওয়ান, প্রভাষক গৌতম কুমার কুণ্ডু, সিরাজুল হক, কামরুল ইসলাম, মোঃ আনোয়ার প্রমুখ।

Tag :
About Author Information

বাংলার দিনকাল

Editor and publisher

কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের দাবিতে জাতীয় কৃষক সমিতির স্মারকলিপি প্রদান

প্রকাশিত সময় ০৭:১৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় কৃষক সমিতি খুলনা জেলা কমিটির উদ্যোগে আজ বেলা ১১:৫৫ টায় খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ধান ক্রয়ের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় বর্তমান কৃষক সমাজ বোরো মৌসুমের ধান বিক্রয় করতে দারুণ বিড়ম্বনায় পড়েছে। উৎপাদিত ধান ব্যয়ের অর্ধেক মূল্যে বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। বীজ ক্রয় থেকে শুরু করে মোড়ায় তোলা পর্যন্ত কৃষকের মণ প্রতি খরচ হয় আটশত টাকার উপরে। অথচ বোরো ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৫০০-৫৫০ টাকায় এবং বালাম ধান ৬০০-৭০০ টাকায়। প্রতি বছর সরকার ঘোষিত নির্ধারিত মূল্য কাগজ-কলমেই থাকে। বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন নেই।

এমতাবস্থায় সরকারি মনিটরিং-এর মাধ্যমে খোদ কৃষকের নিকট থেকে বেশি মূল্যে ধান ক্রয় করতে হবে। কৃষক যাতে হয়রাণির শিকার না হয় সেজন্য প্রতিটি ইউনিয়নের ধান ক্রয়কেন্দ্র থাকতে হবে। অপরদিকে দাকোপে ক্ষতিগ্রস্ত তরমুজ চাষিদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।

এ সময়ে নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কৃষক সমিতির খুলনা জেলা ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি কৃষকনেতা গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, সাধারণ সম্পাদক গাজী নওশের আলী, সহ-সভাপতি শেখ সেলিম আখতার স্বপন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাস্টার সন্দীপন রায়, জেলা নেতা শেখ মফিদুল ইসলাম, এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, খান রেজওয়ান, প্রভাষক গৌতম কুমার কুণ্ডু, সিরাজুল হক, কামরুল ইসলাম, মোঃ আনোয়ার প্রমুখ।