শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে হেলমেটধারীরা সমাবেশে হামলা চালায় : বিএনপি নেতৃবৃন্দ খুলনায় দুইস্থানে আওয়ামীলীগ-বিএনপির সভা আহবান, পুলিশের নিষেধাজ্ঞা জারি খুলনা জেলা পরিষদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতার সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরন খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প বিএনপির কর্মীসভায় হামলা-ভাংচুর, শতাধিক নেতাকর্মী আহত তোরখাদায় যুবলীগের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালন দাকোপে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে রাজাকার অতিথি, মুক্তিযোদ্ধাদের অনুষ্ঠান বর্জন দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার পৃষ্ঠপোষকদের ফাঁসি দিতে হবে আওয়ামীলীগ তেরখাদা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল প্লাস্টিক দূষণ রোধকল্পে টেকসই ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য : ড. মুহাম্মদ আলমগীর

টাওয়ার স্থাপনের নামে বাঁধ কেটে ঘের মালিকের ৩লাখ টাকার ক্ষতি

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৬৪০ পড়েছেন

মো. এনামুল হক, মোংলা :
বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার হুড়কা গ্রামের একটি চিংড়ি মাছের ঘেরের ভেঁড়িবাঁধ কেটে দেয়ায় ওই ঘের মালিকের প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই ঘের মালিক রামপাল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘের মালিক শিব শংকর বিশ্বাস রামপাল উপজেলার হুড়কা ইউনিয়নের হুড়কা গ্রামের মৃত. ক্ষিরোদ চন্দ্র বিশ্বাসের ছেলে।

ক্ষতিগ্রস্থ ঘের মালিক শিব শংকর বিশ্বাসের দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায়, ১৩২ কেভি ডাবল ক্যাবল সার্কিটস্লাইট বৈদ্যুতিক টাওয়ার নির্মাণের কথা বলে কাউকে কোন কিছু না জানিয়েই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সুপারভাইজার মো. রাসেল বুধবার (২১ ফেব্রারুয়ারি) রাতের আধারে শিব শংকরের মাছের ঘেরের বাঁধ কেটে দেয়। এতে ঘেরে থাকা বাগদা, গলদা, ফাইসা ও রুই মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বেরিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পানি শুকিয়ে মাছ মারা যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ ঘের মালিক শিব শংকর বলেন, তার দেয়া জমির উপর ইতোমধ্যে একটি বিদ্যুৎতের টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তীতে তার জমির উপর নতুন করে আর কোন টাওয়ার স্থাপন করা হবে না বলে আশ্বাস দেন সুপারভাইজার রাসেল। কিন্তু তার অপর খণ্ডেল জমির উপর আরও একটি টাওয়ার বসানোর জন্য রাতের আধারে তার ঘেরের বাঁধ কেটে পানি সরিয়ে দিয়েছে রাসেল। এলাকার অন্য লোকজনদেরকেও কিছু না জানিয়ে তার (রাসেল) ইচ্ছামত খামখেয়ালীপনাভাবে টাওয়ার স্থাপনের কাজ করে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানোতে অনেকেই রাসেলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তবে ঠিকাদারের সুপারভাইজার মো. রাসেল বলেন, রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেই বাঁধ কেটেছি। এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোয়াজ্জেম হোসেন বাংলারদিনকালকে বলেন, রাসেলকে কেন অন্যের ঘের কেটে দিতে বলবো, ঘের কেটে দিতে বলার প্রশ্নই আসেনা। বিষয়টি আমি খুব গুরুত্বের সাথে দেখছি।

রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ লুৎফর রহমান বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপপরিদর্শক মো. তকিবুর শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয়কে থানা আসার জন্য বলে এসেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu