মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিশেষ নিবন্ধ : শ্রাবনের চরিত্রহনণ বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠার পেছনের অনুপ্রেরণা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বাংলাদেশ-ভারত আমদানি-রফতানি চুক্তির প্রথম ট্রায়ালের পণ্য মোংলায় খালাস : মেঘালয় ও আসামের উদ্দেশ্যে যাত্রা নির্বাচন আসলেই এদেশের কিছু ধান্দাবাজ একত্রিত হয় : তালুকদার খালেক দেশে রিজার্ভ নেই-একদিন দেখবেন শেখ হাসিনাও মসনদে নেই : বিএনপি বঙ্গমাতার গুণাবলী ধারণ করে মেয়েদের এগিয়ে যেতে হবে : খুবি উপাচার্য বঙ্গবন্ধুর বাঙালির মুক্তির মহানায়ক হয়ে ওঠার পেছনে প্রেরণা ছিলেন  বঙ্গমাতা : সিটি মেয়র বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতির কান্ডারি ও রাজনীতির কবি : এসডিএফ চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বাংলাদেশ-ভারত ট্রানজিট চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ট্রায়াল জাহাজ মোংলা বন্দরে’ খুলনায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে দু:স্থ্যদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন

আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্যে দাকোপ ছয়লাপ

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ১৭ জুন, ২০১৯
  • ৪৬৭ পড়েছেন

গৌতম সরকার কাকন: প্রায় মাসাধিক কাল ব্যাপী সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কতৃক ভেজাল বিরোধী অভিযানের আলোকে মাননীয় আদালত কতৃক নিষিদ্ধ বিভিন্ন কোম্পানির ভেজাল ও ক্যামিক্যাল যুক্ত বাহাত্তর পন্য এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্যে ছয়লাপ দাকোপের প্রতিটি হাট বাজার ও দোকান ।

প্রতি অর্থ বছরের বাজেট কে সামনে রেখে শুরু হয় অবৈধ মজুতদারী। এরই অংশ হিসেবে খুচরা, মাঝারি ও বড় ব্যাবসায়ীদের মধ্যে চলে সামর্থ অনুযায়ী বিভিন্ন পণ্য গোপন মজুত করার প্রবনতা। এ সময়ে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বেশি দামে ক্রয় বিক্রয় করার প্রতিযোগীতা শুরু হয় সর্বস্তরের ব্যাবসায়ীদের মধ্যে ।

সম্প্রতি দাকোপ উপজেলা সদর সহ বেশ কিছু হাট, বাজার ও দোকানে অনুসন্ধান করে দেখা যায় আদালত কতৃক নিষিদ্ধ বাহাত্তরটি পণ্য এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য দেদারছে বিক্রি করা হচ্ছে । ব্যাবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে তাদের কোন ধারণা নেই । এ ছাড়া মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য নিয়েও তাদের বিশেষ মাথা ব্যাথা নেই ।

এ সবের মধ্যে বেশ কিছু কোম্পানির নিষিদ্ধ ঘোষিত লবন, তেল, মশলা, খাবার পানি ও বেভারেজ পন্য রয়েছে । মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্যের মধ্যে বিভিন্ন প্রকার বিস্কুট, চকলেট, ড্রাইকেক, কেক, কোমল পানীয় অন্যতম। এতে এলাকার শিশু সহ সকল মানুষ স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে । প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের নিষিদ্ধ ঘোষিত ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য সম্পর্কে বিশেষ কোন ধারণা নেই । সচেতন ও সুধী সমাজের নাগরিক বৃন্দ এলাকার জনস্বাস্থ নিয়ে

আশঙ্কায় রয়েছেন । বিশেষ করে শিশুদের কে নিয়ে সচেতন মহল বেশি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন । এ দিকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অসচেতনতার সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে ঐ সকল কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটররা নিষিদ্ধ ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বেশি মুনাফা লাভের আশায় এ সকল অঞ্চলে সরবরাহ করেছে বলে জানা গেছে ।

এ বিষয়ে দাকোপের বিভিন্ন প্রান্তের সচেতন মহল স্থানীয প্রশাসনের জরুরী হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu