বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট জুনে চালু হবে  : হাইকমিশনার প্রনয় ভার্মা অবৈধ সংসদ বাতিল,তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং নতুন নির্বাচন কমিশন করতে হবে : গয়েশ্বর রায় খুলনার কেন্দ্রীয় আর্য ধর্মসভা মন্দির কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহানগরীর লবনচরা থেকে ০৬টি ককটেলসহ গ্রেফতার-১ গঙ্গা বিলাস ভারত-বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও ইকোট্যুরিজমের সম্ভাবনা উন্মোচন করবে -হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট জুনে চালু হবে : ভারতীয় হাইকমিশনার প্রনয় ভার্মা  অবৈধ সংসদ বাতিল,তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং নতুন নির্বাচন কমিশন করতে হবে : গয়েশ্বর রায় দৌলতপুরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরণ বাগেরহাটে অবৈধভাবে মজুদ করা ২০ হাজার মেট্রিক টন চাল জব্দ,  গুদাম সিলগালা-জরিমানা কয়রায় হরিণ ধরার ফাঁদসহ ১টি নৌকা আটক

গত ৫ বছরে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি ৮৮ লাখ রফতানি ১৮ লাখ মেঃ টন

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১৩৮ পড়েছেন

মোঃ মাসুদুর রহমান শেখ, বেনাপোলঃ
বেনাপোল (যশোর) দেশের চলমান ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং বেশি রাজস্ব আসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। এ বন্দর দিয়ে গত ৫ বছরে ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৮৮ লাখ ৮৯ হাজার ৮১১ মেট্রিক টন পণ্য। বিপরীতে ভারতে রফতানি হয়েছে মাত্র ১৮ লাখ ৭২ হাজার ২১০ মেট্রিক টন পণ্য।

বাংলাদেশ স্থলবন্দরের পরিসংখ্যানের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ভারত থেকে আমদানি হয় ১২ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩৮ মেট্রিক টন পণ্য। বিপরীতে রফতানি হয় ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৭৩৯ মেট্রিক টন পণ্য। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমদানি ১৩ লাখ ৯৩ হাজার ৩২৯ মেট্রিক টন, বিপরীতে রফতানি ৩ লাখ ২৫ হাজার ৩৮১ মেট্রিক টন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে আমদানি ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৫৯ মেট্রিক টন, বিপরীতে রফতানি ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৬৩ মেট্রিক টন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানি ২১ লাখ ৮১ হাজার ১২৩ মেট্রিক টন, বিপরীতে রফতানি ৪ লাখ এক হাজার ১১৭ মেট্রিক টন। ২০১৯-২০ অর্থবছরে আমদানি ২০ লাখ ৩৮ হাজার ৬৪ মেট্রিক টন, বিপরীতে রফতানি ৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) আমদানি হয়েছে ১৭ লাখ ৫ হাজার ১১৩ মেট্রিক টন, বিপরীতে রফতানি হয়েছে ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৯৫ মেট্রিক টন পণ্য। বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে- শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল, তৈরি পোশাক, কেমিক্যাল, মেশিনারি যন্ত্রাংশ, সুতা ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব। আর রফতানি পণ্যের মধ্যে- পাট ও পাটজাত পণ্য, মাছ, মেলামিন, তৈরি পোশাক ও বসুন্ধারা টিসু উল্লেখ্যযোগ্য।

জানা গেছে, প্রতিবছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার পণ্য আমদানি ও ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য রফতানি হয়। আমদানি পণ্য থেকে সরকারের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়ে থাকে। তবে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে এ লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ২৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। গত ৬ মাসে লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে ঘাটতি আছে এক হাজার ১০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা।

ভারত-বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, দেশের স্থলপথে আমদানি-রফতানির ৭০ শতাংশ হয় বেনাপোল দিয়ে। তবে কাঙ্ক্ষিত অবকাঠামো উন্নয়ন না হওয়ায় অনেকে এপথে বাণিজ্যে আগ্রহ হারাচ্ছেন। ফলে সরকারের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রফতানি সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, বন্দরের ভেতর জায়গা স্বল্পতায় যত্রতত্র পণ্য রাখতে হচ্ছে। এতে রোদ-বৃষ্টিতে পণ্যের গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে এবং চুরির আতঙ্ক থাকে। এছাড়াও বন্দরে ক্রেন ও ফর্কক্লিপের সংকট বহুদিনের। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ‘আজও ভারত-বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটান (বিবিআইএন)চার বাণিজ্যক কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়নি। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন হলে বছরে এখান থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ সম্ভব হবে।’

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, ‘ইতোমধ্যে বেনাপোল বন্দর সম্প্রসারণে নতুন জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও কয়েকটি আধুনিক পণ্যাগার নির্মাণ করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরার জন্য বাজেট হয়েছে। এছাড়াও নিরাপত্তা বাড়াতে উচু প্রাচীরও নির্মাণ করা হয়েছে।’

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ
© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)
Hwowlljksf788wf-Iu