মঙ্গলবার, ০৯ অগাস্ট ২০২২, ০৪:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠার পেছনের অনুপ্রেরণা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বাংলাদেশ-ভারত আমদানি-রফতানি চুক্তির প্রথম ট্রায়ালের পণ্য মোংলায় খালাস : মেঘালয় ও আসামের উদ্দেশ্যে যাত্রা নির্বাচন আসলেই এদেশের কিছু ধান্দাবাজ একত্রিত হয় : তালুকদার খালেক দেশে রিজার্ভ নেই-একদিন দেখবেন শেখ হাসিনাও মসনদে নেই : বিএনপি বঙ্গমাতার গুণাবলী ধারণ করে মেয়েদের এগিয়ে যেতে হবে : খুবি উপাচার্য বঙ্গবন্ধুর বাঙালির মুক্তির মহানায়ক হয়ে ওঠার পেছনে প্রেরণা ছিলেন  বঙ্গমাতা : সিটি মেয়র বঙ্গবন্ধু ছিলেন জাতির কান্ডারি ও রাজনীতির কবি : এসডিএফ চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বাংলাদেশ-ভারত ট্রানজিট চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ট্রায়াল জাহাজ মোংলা বন্দরে’ খুলনায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীতে দু:স্থ্যদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন শেখ হাসিনার পায়ের নিচে মাটি নেই-দেশে রিজার্ভ নেই : বিএনপি

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানকে মোবাইল কোর্ট আখ্যা না দেয়ার অনুরোধ

সংবাদদাতার নাম :
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ৩০ জুন, ২০১৯
  • ৭৯৭ পড়েছেন

তথ্যবিবরণী :
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি অভিযানকে মোবাইল কোর্ট হিসাবে আখ্যায়িত না করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নির্দেশনার প্রেক্ষিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ শফিকুল ইসলাম লস্কর গত ১২ জুন এক পত্রের মাধ্যমে গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ অনুরোধ জানান।

এই অধিদপ্তরের বাজার তদারকি অভিযানকে গণমাধ্যমে মোবাইল কোর্ট হিসাবে সংবাদ পরিবেশন করায় জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে একটি পত্র প্রেরণ করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার। সে প্রেক্ষিতে জনমনে বিদ্যমান ভুল ধারণা দূরীকরণের লক্ষ্যে পরবর্তী সময়ে সঠিক সংবাদ পরিবেশনের সময় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং গণমাধ্যমসমূহকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুরোধ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্যদের নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ বাজার তদারকি অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কোন কর্মকর্তার মোবাইল কোর্ট পরিচালনার এখতিয়ার নেই। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যকলাপ রোধের নিমিত্ত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৭০(১) ধারা অনুযায়ী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে জরিমানা আরোপ করতে পারেন যা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধযোগ্য।

সংবাদটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করা হলো

এ ধরনের আরো সংবাদ

© All rights reserved by www.banglardinkal.com (Established in 2017)

Hwowlljksf788wf-Iu